ছড়া মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত
ঝংকারময় সাহিত্য। এটি সাহিত্যের একটি
প্রচীন শাখা। একসময় ছড়াকে শুধুমাত্র
শিশুসাহিত্য বলা হয়ে থাকলেও কালের
বিবর্তনে ছড়া এখন জীবনের সব রঙের
কথা বলে। দেশের প্রথম সারির জাতীয়
পত্রিকাও প্রতিদিন করে একটি সমকালিন
ছড়া ছেপে থাকে। ছড়া আজ আর কোন
শ্রেণির না। সব মানুষের সব বয়সের।
সবাই ছড়া লিখতে পারে না। কিন্তু ছড়া
ভালবাসে না এমন মানুষ জগতে নেই। এই
সুন্দর পৃথিবীও ছন্দময়। ছড়াময় জীবনে
ছড়া দোলা দিয়ে যায় পাঠককে।
বড় বড় সাহিত্যের জীবনের খাতা পাঠ করলে দেখতে পাই সবাই শুরু করেছেন ছড়া দিয়ে। কেউ থেকেছেন ছড়ার সাথে ঘর সংসার করে। কেউ বৈরাগি হয়ে অন্যঘরে সংসার করছেন। কিন্তু সেই অন্যঘরেও তার ছড়ার প্রভাব পড়ে। সকল আন্দোলন সংগ্রামে ছড়া থাকে মুখে মুখে। মানুষের দাবিতে, আছে মানুষের সুখের চাবিতেও ছড়া। আর সেই দাবি আদায়ের সামনে থাকে তরুণেরা। তরুণদের হাত ধরে ছড়া টিকে থাকে, ছড়া বেঁচে থাকে মুখে মুখে।
তেমনি এক ছড়াপাগল জুয়েল মাহমুদ। সে
তরুণও না আরো ছোট। সবে কৈশোরে পা
তার। মগজে ছড়ার হইচই তাকে ছড়াসঙ্গী
করে তুলেছে দিন-রাত। তার প্রথম ছড়ার
বইয়ের নামও - ছড়ার হইচই। জুয়েল
বয়সে ছোট হলেও তার ছড়াগুলো ছোট
না। সে ছড়ায় তার বয়সের তুলনায় দ্বিগুণ
এগিয়েছে। মফস্বল থেকেও দেশের জাতীয়
পত্রিকায় তার ছড়া নিয়মিত প্রকাশিত হয়।
তার ছড়ায় প্রাণ আছে। আছে আম
কাঁঠালের ঘ্রাণও। আবার আছে স্পষ্ট করে
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা।