সজল আহমেদ
জন্ম ১লা অক্টোবর ১৯৭৮ সালে চলনবিলের কোলঘেঁষা নাটোর জেলার অর্ন্তগত বড়াইগ্রাম থানার তারানগর গ্রামে। এখানেই কেটেছে তার দূরন্ত শৈশব-কৈশোর। ১৯৯৭ সালে বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৯৯ সালে ছাইকোলা ডিগ্রী কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। তার প্রবল ইচ্ছে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নের; কিন্তু সংসারের অস্বচ্ছলতার কারণে সে স্বপ্ন পূর্ণতা পায়নি। অবশেষে লেখাপড়া ছেড়ে ২০০০ সালে বাংলাদেশ রাইফেলস এ যোগদান করেন। কিন্তু জীবন বড় অদ্ভুত, কোন বাঁকে গিয়ে কোন মোড় নেবে, সেটা কেউ বলতে পারে না। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালে তৎকালীন বিডিআর সদরদপ্তর পিলখানায় ঘটে যায় এক অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা। যার প্রেক্ষিতে পাঁচ পাঁচটি বৎসর কারাগারের অন্ধকার প্রকষ্টে দুর্বিষহ জীবন কাটাতে হয়েছে তাকে। আর কারাগার থেকে বের হয়ে দেখেছেন অর্থহীন মানুষ কেবলই একা। কেউ কারো নয়। আর এই নির্মম কঠিন বাস্তব অভিজ্ঞতা বুকে নিয়েই তার লেখালেখির পথে বিচরণ। অবশ্য কবিতা লেখার হাতেখড়ি আরও আগে শুরু হয়েছিল। কিন্তু জীবনের বেশিরভাগ সময়ই পাঠকের আড়ালে থেকেছেন এই নিভৃতচারী কবি। ‘বিষণ্ন সময়ের অন্ধকারে’ তার প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।