জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ঢাকা শহরে। পড়ালেখা ঢাকা কলেজ থেকে স্নাতক। নিভৃতচারী ও প্রচারবিমুখ সৈয়দ সাইফুল ইসলাম ব্যক্তিগত ও কর্মময় জীবনে শুদ্ধ জীবনচর্চায় অবিচল। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়ও অটল। তিনি এই সাধনায় ব্রত সেই কিশোর বয়স থেকে। সাড়ে তিন দশক ধরে সাহিত্য ও দর্শনের একনিষ্ঠ এবং তত্ত্বপিপাসু পাঠক হিসেবে তিনি প্রশংসিত।
তিনি ব্যক্তিগতভাবে বুদ্ধিবাদ, অভিজ্ঞতাবাদ ও সুফিবাদের সমন্বয়ে স্বতন্ত্র জীবনদর্শনে বিশ্বাসী। তা মূলত 'স্বতঃসিদ্ধ সত্য', 'পূর্বতঃসিদ্ধ ধারণা', 'ধর্মদর্শন', 'অধিবিদ্যা' ও 'জগৎ-জীবনের সৌন্দর্যবোধ' ইত্যাদিকে বিচারের জন্যই। তাছাড়া মহাদার্শনিক ইমানুয়েল কান্টের দর্শনের প্রতি তাঁর প্রবল অনুরাগ রয়েছে। মানবিক চেতনার স্বরূপ উদঘাটনের প্রয়োজনে নিজস্ব জীবনদর্শনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ অন্যান্য মতবাদকেও গুরুত্ব দিতে চান তিনি। কারণ তিনি মনে করেন, জগতে মহান ব্যক্তি কর্তৃক উদ্ভাবিত কোনো মতবাদই অপাঙক্তেয় নয়।
বাংলা ভাষা, সাহিত্য, দর্শন, নন্দনতত্ত্ব, মুক্তিযুদ্ধ দর্শন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ের প্রতি তিনি বিশেষভাবে অনুরক্ত। তবে লেখালেখির ক্ষেত্রে সাহিত্য ও দর্শনকে প্রাধান্য দেন লেখক। জাতীয় দৈনিকসহ বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর মননশীল লেখা ছাপা হয়েছে।
সম্পাদনা গ্রন্থ: প্রিন্সিপাল খালেদা হাবিব (মার্চ, ২০১৯), 'স্মৃতিতে শ্রুতিতে আমার বাবা প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ'।
পেশা: আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন গবেষণা।
সামাজিক দায়বদ্ধতা: নির্বাহী পরিচালক, ইমানুয়েল কান্ট রিসার্চ ফাউন্ডেশন। অনারারি ট্রাস্টি সদস্য, প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ -প্রিন্সিপাল খালেদা হাবিব ট্রাস্ট ফান্ড (ঢা.বি)। যুগা-সম্পাদক, 'একাত্তরের কথা' (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণা পত্রিকা)।