ড়তে গিয়ে লেখাগুলো অসঙ্গত লাগে। আমি লেখায় কাহিনী খুঁজে বেড়াই কিন্তু পাইনা। হৃদয়ে লেখাটা অনুরণন করতে থাকি হাতড়ে বেড়াই কোন একটা চিহ্ন। যে চিহ্ন ধরে লেখাটার অন্তরহস্য ধরে ফেলতে পারব। বারংবার মনে হচ্ছে; লেখাটা অসংগত এটা লেখকের নয় পাঠকের মননের সীমাবদ্দ্বতা। খালি চোখে আর স্থূল মন নিয়ে হয়ত ধরতে পারছিনা।
কিছু অসংগত উপলব্দিঃ
ভালোবাসার কাজগুলো যখন পেশায় পরিণত হয় তখন তা হতে ভালোবাসা উবে যায়।
যৌনতা শুধুমাত্র জৈবিক ক্রিয়ামাত্র। স্বামীর অনুপস্থিতিতে যেমন পানাহার করা যায় তেমন দৈহিক চাহিদাও মেটানো যায়। এতে মননে অপবিত্রতা ভর করেনা। সঙ্গীর সাথে বিস্বাসঘাতকতা হয়ত হয় কিন্তু ভালোবাসা কমেনা।
মানুষ যৌবন কালে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য বর্তমানকে উতস্বর্গ করে আবার জীবন সায়াহ্নে এসে অতীতের স্মৃতি কাতরতায় তার চিহ্ন পেতেও বর্তমানকে অবজ্ঞা করে। মানুষ আসলে ভবিষ্যৎ ও অতীতের মাঝে জীবনকে খুঁজে বেড়ায় আর বর্তমানকে ভুলে যায়। এভাবেই মানুষ সবসময় মরীচিকার পিছনে ছুটে আর জীবনকে উপভোগ করতে ভুলে যায়।