55 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 210TK. 189 You Save TK. 21 (10%)
বইটির সূচিপত্র:
প্রথম অধ্যায় : জন্ম ও বাল্যকাল
দ্বিতীয় অধ্যায় : শাসন
তৃতীয় অধ্যায় : জায়গিরদাররূপে ফরিদ খান
চতুর্থ অধ্যায় : স্বাবলম্বী জীবনের শুরু
While you start learning about the history about Bangladesh and the greater Bengali area, you have to learn about Sher Shah Shuri. His ideologies were even followed by the rival mughals and even today some of his state laws are followed by countries.
Was this review helpful to you?
By murad, Feb 19, 2017
উত্তর-পশ্চিম ভারতে মোগলদের ক্ষমতা ক্রমন্বয়ে বৃদ্ধির কারণে বাংলা সুলতান নসরৎ শাহ শঙ্কিত ছিলেন। এই সময় তিনি মোগলদের দ্বারা বিতারিত আফগানদের নিয়ে তিনি একটি মোগলবিরোধী সংঘ গড়ে তোলেন। তিনি জৌনপুরের লোহানী বংশীয় সুলতান বাহার খাঁ লোহানী, বিহারের শের শাহ ও লোদী বংশের মাহমুদ খাঁর সাথে যুক্তি করে এই সংঘকে জোরদার করেন। এই সংঘ মোগলদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। বাবরের সেনাবাহিনী প্রথমে এলাহাবাদ, বারাণসী ও গাজীপুর দখল করেন। এরপর ১৫২৯ খ্রিষ্টাব্দে ঘর্ঘরা নদীর তীরে আফগান নেতা শের শাহের ও মাহমুদ শাহ্ -এর সাথে বাবরের বাহিনীর যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে উভয় নেতা পরাজিত হন। এরপর নসরৎ শাহকে তাঁর আনুগত্যের দাবি করেন। নসরৎ শাহ এই দাবি না মেনে নানাভাবে বাবারকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাবর তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে- বাংলার দিকে অগ্রসর হন। উভয় রাজশক্তির মধ্যে যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে নসরৎ শাহ পরাজিত হন। এরপর মৌখিকভাবে তিনি বাবর আনুগত্য স্বীকার করেন। এইটাই ছিল বাংলা প্রথম মোগলদের আধিপত্যের প্রথম ধাপ। কিন্তু বাংলার উপরে মোগলদের পূর্ণ অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় নি।
হুসেন শাহী রাজবংশের সুলতান নসরৎ শাহ ১৫৩২ খ্রিষ্টাব্দে আততায়ীর হাতে নিহত হন। এরপর সিংহাসনে বসেন তাঁর পুত্র আলাউদ্দিন ফিরোজ। ফিরোজ শাসনকার্যে অনুপযুক্ত ছিলেন। তাঁর কুশাসনের বিরুদ্ধে আমিররা বিদ্রোহ করেন। এই সময় বিহারের লোহানী আমিররা শের শাহ-এর ক্ষমতা বৃদ্ধিতে শঙ্কিত হয়ে, শের শাহকে আক্রমণ করার জন্য সুলতান মাহমুদ শাহকে উদ্বুদ্ধ করেন। ফলে ১৫৩৪ খ্রিষ্টাব্দে শের শাহসম্মিলিত বাহিনীর আক্রমণের মুখে পড়েন। সুরজগড়ের যুদ্ধে শের খাঁ সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করেন। এই যুদ্ধ জয়ের পর শের শাহ সমগ্র বিহারের সুলতান হয়ে উঠেন। ১৫৩৬ খ্রিষ্টাব্দে শের শাহ পুনরায় বাংলা আক্রমণ করেন। প্রথমে তিনি বাংলার কিছু অংশ দখল করেন। এই সময় মাহমুদ শাহ শেরখাঁকে ১৩ লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করে সন্ধি করেন। ১৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে শের শাহ পুনরায় বাংলা আক্রমণ করে গৌড় অধিকার করেন। এবং শেষ পর্যন্ত মাহমুদকে সম্পূর্ণ পরাজিত করে বাংলা থেকে বিতারিত করেন। এর ফলে বাংলাদেশে হুসেনশাহী রাজবংশের শাসনের অবসান হয়। এরপর শুরু হয় শের শাহ-এর রাজত্ব কাল।
ইতিহাস, ঐতিহ্য আর গৌরবের কথামালাও বর্ণিত হয়েছে অনেক গল্পের পরতে পরতে।
ঐতিহাসিক উপন্যাসের একটা আলাদা রকম আবেদন আছে। ঔপন্যাসিক এখানে ইতিহাসের অলিগলিতে ঘুরে ঘুরে তৎকালীন ঘটনাগুলোর সাথে নিজের সৃষ্টি করা কাহিনি ও চরিত্রগুলোকে জুড়ে দেন।
তবে বইটা একটানা পড়া একটু কষ্টসাধ্য হয়েছে আমার জন্যে, মাঝেমধ্যে অন্য বই পড়ে এই বইটার ধারাবাহিকতার একগুঁয়েমিতা দূর করেছিলাম। ওভার অল বেশ ভালোই বইটা।