“লেখালেখি তাদের ভাবনা” লেখকের ৪র্থ অনুবাদ বা গোড়ার কথা, তা সত্বেও বইটিতে অনুবাদকের যথেষ্ট পরিণতবোধ ও নিজস্বতার ছাপ রয়েছে।একজন অনুবাদক তখনই সফল যখন বইটি পড়তে গিয়ে, পাঠকের একবার ও মনে হয় না যে তিনি অনুবাদ পড়ছেন।কেননা, মূল লেখা আর অনুবাদ এর ভেতর মধ্যবর্তী যে বিশাল ফারাক আমরা সচরাচর দেখি তার রেশ বইটিতে অনুপস্থিত।একটিই বইয়ে বার্ট্রান্ড রাসেল, ফ্রাংক ও’কনর, ভার্জিনিয়া ওলফ, টোনি মরিসন এর মত গতিশীল লেখকগণ পাঠককে জানাচ্ছেন তারা কেন লেখেন, লেখার পটভূমি, প্রতিকূলতা এবং লেখকের সঙ্গে পাঠকের উষ্ণ সর্ম্পকের কথা। কত অসাধারন হয়, যখন ১১ জন ভিন্ন লেখকের ‘লেখক সমাবেশ’ তৈরী হয় এবং লেখকদের লেখক হবার বাসনার তীব্রতা থেকে শুরু করে, তাদের সাড়া জাগানো সেই সব বই নির্মাণের অভিজ্ঞতা আর লেখকের পরিণত জীবনবোধকে একই মলাটে পড়ে ফেলার সুযোগ পাওয়া যায়।