১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
সম্রাট জাহাঙ্গীরের আত্মকথা পাক-ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসে এক অমূল্য সংযোজন। অর্পূব সরল এবং অকুন্ঠ মনোভাব নিয়ে সম্রাট তাঁর রাজ্যশাসন সংক্রান্ত ঘটনাবলী লিপিবদ্ধ করেছেন।
১৬০৫ খ্রীস্টাব্দের ১০ই অক্টোবর সেলিম সিংহাসনে আরোহণ করেই ‘জাহাঙ্গীর’ বা জগজ্জয়ী উপাধি ধারণ করেন। প্রবল পরাক্রান্ত তুর্কী সম্রাটদের সঙ্গে নিজেকে এক পর্যায়ভুক্ত করার বাসনা ছিল তাঁর। শুধু তাই নয়, আলেকজান্ডারের মত দিগ্বিজয়ী হবার আকাঙ্ক্ষাও তাঁর ছিল, কেননা যথেষ্ট বিনয় সহকারে হলেও তিনি ঘোষণা করেছিলেন- ‘সর্বশক্তিমানের অপার অনুগ্রহে যদি দীর্ঘজীবন পাই এবং ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়, তবে আমার নামের সার্থকতা আমি প্রমাণ করে যাব'।
তানিখ-ই-জাহাঙ্গিরী, দোয়াজদা-সালা-জাহাঙ্গিরী, ওয়াকিয়াত-ই-জাহাঙ্গিরী, ইকবালনামা ইত্যাদি বিভিন্ন নামে বহু বই জাহাঙ্গিরের আত্মজীবনী বলে চালানো হয়েছে। এগুলোর প্রামাণিকতা নিয়ে মতভেদ এবং বিতর্কের অবকাশ রয়েছে প্রচুর। এর কোনটাতেই পুরো রাজত্বকালের বিবরণ পাওয়া যায় না। যতদূর জানা যায় সম্রাট জাহাঙ্গীর নিজেই তাঁর আত্মজীবনী কিছুকাল পর্যন্ত লিখেছেন, পরে অন্য লোককে মৌখিক নির্দেশ দিয়ে সেটা শেষ করবার জন্য বলেছিলেন। রাজত্বকালের বারো বছরের সম্বলিত আত্মকথা ‘দোয়াজদা-সালা-জাহাঙ্গিরী’ নামে পুস্তকাকারে প্রকাশিত হবান পর সম্রাটের নির্দেশে বিতরিত হয়।
‘দোয়াজদা-সালা-জাহাঙ্গিরী’ বইখানি মূল ফার্সী পাণ্ডুলিপি থেকে ইংরেজীতে অনুবাদ করেন মেজর ডেভিড্ প্রাইস (মেম্বার, ‘রয়্যাল এসিয়াটিক সোসাইটি’, ওরিয়েন্টাল ট্রানশ্লেশন কমিটি)। ‘ওরিয়েন্টাল ট্রানশ্লেশন কমিটি’ কর্তৃত বইখানি লন্ডনে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮২৯ সালে। বর্তমান গ্রন্থখানি তারই অনুবাদ। কাজেই এটাকে সম্রাটের নিজের লেখা বলে মনে করবার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
এ ধরনের আত্মজীবনীর ঐতিহাসিক মূল্য পুনরুল্লেখের প্রয়োজন রাখে না। অন্তর্নিহিত স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের গুণেই এর আবেদন সর্বকালের জন্য।
Borhanuddin Khan Jahangir (জন্ম ৯ জানুয়ারি ১৯৩৬), চাঁদপুরের গুলবাহার গ্রামে। তিনি কবিতা, কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ-গবেষণা, নৃবিজ্ঞান, সম্পাদনা, শিল্পসমালোচনা, অনুবাদ ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। তাঁর প্ৰবন্ধগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- স্বদেশ ও সাহিত্য, হত্যার রাজনীতি ও বাংলাদেশ, আধুনিকতা এবং উত্তর আধুনিকতার অভিজ্ঞতা, জাতীয়তাবাদ এবং আধুনিকতা, প্রজাতন্ত্রকে রক্ষা করতে হবে, রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা, বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদ এবং মৌলবাদ, বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চল ও শ্রেণীসংগ্রাম, নিস্তব্ধতার সংস্কৃতি, বাংলাদেশে ধনতন্ত্রের উদ্ভব ও বিকাশ ইত্যাদি । তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, Roll of Honour, UNESCO and Govt of France, কলকাতার মুজফফর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার এবং জাহানারা ইমাম স্মৃতি পদকে ভূষিত হয়েছেন। ;