"যে-বই তোমায় অন্ধ করে
যে-বই তোমায় বন্দী করে
সে-বই তুমি ছুঁবেই না।" - হুমায়ুন আজাদ
ভালো বইয়ের মূল্য বোঝার জন্যও অন্ধ আর মানসিক বন্ধ্যাত্ব এনে দেয়া বইগুলো ছু্ঁতে হয়, ধরতে হয়। তেমনি বই আলেক রোজারিওর এই গল্পগ্রন্থ ( অথচ স্মৃতিচারণা) !
তিনি অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণভাবে যৌনতা এনেছেন। বয়ঃসন্ধিকালের সময়টাকে বিরূপভাবে উপস্থাপন করেছেন।পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বরতাকে হালকা করে দেখাতে মাসুদ নামে এমন পাকিস্তানি সেনাকর্মকর্তার কথা বলেছেন যে, যুদ্ধকালে গ্রামে ঘাঁটি গেড়ে তাকে স্যার ডাকতে মানা করে, বাংলায় কথা কয়(কারণ সে পূর্ব পাকিস্তানে বোমা বিজ্ঞানে দেড় বছর পড়াশোনা করেছে) গ্রামের বৈষম্য কমাতে গ্রামে কমিটি করে। তার মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে সে নিহত হবার পর গ্রামেই তার নামে গড়ে উঠে মাজার! রাজাকারদের কাজকে তিনি যুক্তি দিয়ে হালাল করতে চান ইত্যাদি। সারা বইতে মুক্তিযুদ্ধকালীন ছবির অত্যন্ত অপ্রাসঙ্গিক অবতারণা বিরক্তির পারদকে বাড়াতে জ্বালানি যোগাবে।
খুব বাধ্য না হলে হয়ত এহেন কুৎসিত বই পড়তাম না যেখানে প্রতি পৃষ্ঠায় কমপক্ষে দশটি বানান ভুল।
মে আল্লাহ সেভ ইউ ফ্রম আলেক রোজারিও এন্ড হিজ মাস্টারপিস!
বইয়ের প্রচ্ছদের ছবিটা দেখছেন তো? কিশোর পারেখের এই ছবি নিয়েই কিন্তু প্রশ্ন উঠছে ইদানীং।