বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়া
'মালিহা বুঝতে পারছে আজ আর আসমাকে আটকানো যাবে না। তাই মালিহা হাজার দশেক টাকা দেয়, আর মনে মনে চিন্তা করে এই টাকা খাওয়ার জন্য ছেলেটা আসমাকে ন
পালিয়ে বিয়ে করায় এক ঘরে হয়ে গিয়েছিলেন রাইসা রােদেলা...... ডাক্তারি পাশ করার পর ভাল একটা পজিশনে যেতে পারায় ছেলের বাবা-মা এবার কিছুটা নরম হলেন বটে। ডাক্তার ছেলের সাথে পরিবারের অন্য সদস্যদের যোগাযোগ পুনস্থাপন হল। ছোট ভাই, বোন তাই এবার বড় ভাইয়ের বাসায় থেকে পড়ার সুযোগ পেল।
গৃহের কাজ সব রাইসার একার পক্ষে সামলানো কঠিন, বনেদি পরিবারের ছেলে-মেয়ে বিধায় বৌদির সাথে কেউ সহযোগিতা করেন না। তাই বাধ্য হয়েই বাসায় কাজের মেয়ে রাখতে হলো রাইসাকে। কিন্তু কোনো কাজের মেয়ে-বেটিই টিকে না............কারণ কী, রহস্য বের করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়লেন রোদেলা............
ছি! ছি! ছি! বনেদি পরিবার? বনেদি পরিবারের ছেলেদের এমন কান্ড.........!