12 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 200TK. 159 You Save TK. 41 (21%)
ভূমিকা মহান রুশ লেখক গোর্কির (১৮৬৮-১৯৩৬) খ্যাতি প্রধান তাঁর মা উপন্যাসটির জন্য। পৃথিবীর শতাধিক ভাষায় অনূদিত হয়ে বইটি এ-যাবত কোটি-কোটি মানুষ পাঠ করেছেন। ১৯০৫ সালের প্রথম
বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।
বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।
রুশ কথা সাহিত্যের অন্যতম উত্তরাধিকার ম্যাক্সিম গোর্কি। গণমানুষের লেখক হিসাবে তার খ্যাতি গোটা পৃথিবী জুড়ে। মেহনতি মানুষের জীবনকে গোর্কি তার সাহিত্যের অন্যতম উপকরণ হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন। উনবিংশ শতকের শেষ দিকে এবং বিংশ শতকের শুরুর দিকে রাশিয়ার রাজনৈতিক বাতাবরণে ম্যাক্সিম গোর্কির রচিত গল্প-উপন্যাস মুক্তিকামী শ্রমজীবী মানুষের কাছে প্রেরণাদায়ক ভূমিকা পালন করে। বিশ্বের সকল দেশের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, ঘৃণা-ভালোবাসা, স্বপ্ন-বাস্তবতা, যন্ত্রনা, সংগ্রাম সর্বোপরি জীবনের শাশ্বত কথা পাওয়া যায় ম্যাক্সিম গোর্কির লেখায়। বাংলা সাহিত্যের পাঠকদের কাছে গোর্কির নাম এত বেশি পরিচিত যে তাকে রুশ ভাষার লেখক বলে মনে হয় না।রাশিয়ার নিঝিন নোভেগারদ শহরের এতিম বালক অ্যালেক্সি-ম্যাক্সিমোভিচ পেশকভ ১২ বছর বয়সে ঘর ছেড়ে বের হয়েছিলেন পৃথিবীর পথে। প্রকৃতির পাঠশালায় শিক্ষিত ম্যাক্সিম হয়েছিলেন তিক্ত। ১৬ বছর বয়সে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। তারপর দীর্ঘ ৫ বছর হেঁটে জারের রাশিয়া সাম্রাজ্য ভ্রমণ করে পরিপূর্ণ লেখক হয়ে নাম নিলেন ম্যাক্সিম গোর্কি। গোর্কি শব্দের অর্থ তিক্ত। আক্ষরিক অর্থে ম্যাক্সিম গোর্কি তা-ই ছিলেন। তার লেখায় সব সময় ফুটে উঠেছে তিক্ত সত্য। রাশিয়ার জীবনযাত্রার বিরুদ্ধে তার সঞ্চিত রাগের প্রকাশ দেখি তার লেখায়। ১৮৯৮ সালে গোর্কির প্রথম বই ‘এসেস অ্যান্ড স্টোরিস’ প্রকাশিত হয়। প্রথম বইটি সারা দেশে সাড়া জাগায়। লেখক হিসেবে ম্যাক্সিম গোর্কির জয়যাত্রা শুরু হয়। ১৮৬৮ সালের ১৬ মার্চ নিঝিন নোভেগারদ শহরে ম্যাক্সিম গোর্কির জন্ম। ৯ বছর বয়সেই পিতামাতাকে হারান। ১২ বছর বয়সে ঘর ছেড়ে পালান দাদিমার খোঁজে। দাদিমা মারা যাওয়ার পর গোর্কি এতই দুঃখ পেয়েছিলেন যে, নিজের জীবননাশ করতে দ্বিধাবোধ করেননি। ঈশ্বরের অসীম অনুগ্রহে নাস্তিক ম্যাক্সিম বেঁচে গেলেন, পৃথিবী পেল তার এক কৃতীসন্তানকে।