তৃতীয় বিবাহের পর শ্বশুরবাড়ি গিয়ে রেহানা জানতে পারে তার স্বামী পাগল। আগের দুই বিয়েতে অত্যাচারিতা, অবহেলিতা রেহানা এই পাগল স্বামীর ঘরে নিজেকে নিজের মতো করে পায় যেখানে তাঁকে কেউ অত্যাচার করে না, এমনকি সে সহবাসেও বাধ্য হয় না। পাশের বাড়ির যুবকের সঙ্গে ফুল আদান প্রদান করে সে। সেই ফুলের সুবাস তাড়িয়ে বেড়ায় রেহানার শ্বশুরবাড়ির সবাইকে।
এমতাবস্থায় রেহানার পাগল স্বামী কামাল সুস্থ হয়ে গেলে তাকে বোরখায় ঢেকে রাখে। কিন্তু খোঁপায় গোঁজা ফুলের সুবাসের কারণে বোরখা ঢাকা বিবির পিছু নেয়। এমন করে বোরখায় ঢাকা বিবি একটা নতুন প্রতীতি সৃষ্টি করে যা কখনও কেউ ভাবেনি। আফসার আমেদ এমন এক পরাবাস্তব প্রেক্ষাপট সৃষ্টি করেন যেখানে পাঠক বাস্তবের মাঝে এক নতুন জগতে হারিয়ে যায়। পাশপাশি মুসলিম সমাজ এবং পারিপার্শ্বিকতার দারুণ এক চিত্র এঁকেছেন লেখক।