বর্তমান গণিতের জন্ম হয়েছে গণনা থেকে। গণনার ধারণা থেকেই প্রথম সংখ্যা ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছিল যদিও সংখ্যার জন্ম হয়েছে অনেক সময়ের ব্যবধানে। প্রাচীন প্রস্তর যুগে মানুষ যখন গুহায় বসবাস করতো তখনও এক-দুই পর্যন্ত গণনা চালু ছিল বলে ধারণা করা হয়। তখন পারিবারিক বা সামাজিক জীবন ভালো করে শুরু না হলেও পদার্থের রূপ সম্বন্ধে তারা ওয়াকিবহাল ছিল। নব্য প্রস্তর যুগে মানুষ খাদ্য আহরণ, উৎপাদন এবং সঞ্চয় করতে শুরু করে। মৃৎ, কাষ্ঠ এবং বয়ন শিল্পের প্রসার ঘটে যার অনেক নমুনা বর্তমানে আবিষ্কৃত হয়েছে। অধিকাংশের মতে এ সময়েই ভাষার বিকাশ ঘটে। তবে ভাষা যতটা বিকশিত হয়েছিল তার তুলনায় সংখ্যার ধারণা ছিল বেশ অস্পষ্ট। সংখ্যাগুলো সর্বদাই বিভিন্ন বস্তুর সাথে সংশ্লিষ্ট থাকতো। যেমন, পশুটি, দুটি হাত, একজোড়া ফল, এক হাঁড়ি মাছ, অনেক গাছ, সাতটি তারা ইত্যাদি। এমনকি আমেরিকা এবং আফ্রিকার অনেক গোত্র আজ থেকে মাত্র দুশো বছর আগেও এ অবস্থায় ছিল। কিভাবে সংখ্যা তৈরী করা হয়?
সংখ্যা তৈরির উদ্দেশ্য কি?
সংখ্যা বলতে আসলে আমরা কি বুঝি?
সংখ্যার প্রয়োজনীয়তা কি? আমরা দৈনন্দিন কাজে বিভিন্ন গনণা করে থাকি। যেমন এক কেজি চাল অথবা তিনটা ডিম। এই এক কেজি চাল বলতে আমরা আসলে কি বুঝাই
অথবা তিনটা ডিম বলতে আমরা আসলে কি বুঝাই? নানা রকম শ্রেণীতে বিভক্ত করে সংখ্যা কে বুঝান হয়েছে এই বইটা তে ।বইটিতে রয়েছে সংখ্যা-লিখন, সংখ্যার খেলা, সংখ্যার আকার, পরিসংখ্যান-সংখ্যাভিত্তিক বিজ্ঞান , সংখ্যার হিসাব ও হিসাবযন্ত্র ,সংখ্যার ব্যবহার ইত্যাদি। এই বইটি পড়ার ফলে ‘সংখ্যা’ শুধুমাত্র বাজারের লিস্ট বা অঙ্ক বইয়ের পাতাতেই নয়, জীবনের বহুবিধ স্থানে লক্ষ্য করা যাবে।
Was this review helpful to you?
By Toqi Tahamid, May 13, 2016
Verified Purchase
Good
Was this review helpful to you?
By Wasifa Zannat, May 6, 2016
’সংখ্যা’ বইটি লেখক সেলিনা বাহার জামানের লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বই।বইটিত সর্বস্তরের মানুষের জন্য সহজবোধ্য করে লেখা হয়েছে। ’সংখ্যা’ ধারণাটি মানুষের মাথায় কেন করে এলো তার গোড়ার কথা বা ইতিহাস নিয়ে শুরু হয়েছে বইটি। এর পরের অধ্যায়ে রয়েছে সংখ্যার স্কেল বা ভিত্তি বিষয়টি আসলে কি-এর সহজ ব্যাখ্যা। সংখ্যা-প্রতীকের ব্যবহারের নিয়ম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এরপরে। সংখ্যারও যে, কোন স্থপতি থাকতে পারে তা হয়তো আমাদের অনেকের মাথাতেই আসে না, এর পরের অধ্যায়ে সংখ্যার আদি স্থপতি কে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।বইটি পড়লে সহজেই সংখ্যার শ্রেণীবিভাগ সম্পর্কে জানতে পারবেন। সংখ্যারও যে আকার রয়েছে তা কতজনেরই বা মাথায় আসে। আমাদের নিত্যদিনের ব্যবহার্য বিষয়ের মধ্যেও রয়েছে সংখ্যার অবদান। কিভাবে সংখ্যার সাথে আমরা জীবন কাটাই, জীবনে কোন কোন প্রয়োজনে নিত্যদিনের কাজেকর্মে সংখ্যার প্রয়োগ করি তা লিখেছেন লেখক। এছাড়াও বইটিতে রয়েছে সংখ্যা-লিখন, সংখ্যার খেলা, সংখ্যার আকার, পরিসংখ্যান-সংখ্যাভিত্তিক বিজ্ঞান , সংখ্যার হিসাব ও হিসাবযন্ত্র ,সংখ্যার ব্যবহার ইত্যাদি। এই বইটি পড়ার ফলে ‘সংখ্যা’ শুধুমাত্র বাজারের লিস্ট বা অঙ্ক বইয়ের পাতাতেই নয়, জীবনের বহুবিধ স্থানে লক্ষ্য করা যাবে।