18 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 200TK. 176
You Save TK. 24 (12%)
বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।
বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।
Related Products
Product Specification & Summary
"মসজিদ নগরী ঢাকা" বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ
রাজধানী হিসেবে ঢাকা বা জাহাঙ্গীরনগরে আবির্ভাব ঘটে ১৬০৮ সালে মুঘল আমলে। এর প্রতিষ্ঠাতা সুবাদার ইসলাম খান। ঢাকা এক বৈচিত্র্যপূর্ণ নগরী-চারশত বছরের অধিক এ নগরী স্বীয় মর্যাদাসহ অস্তিত্ব বজায় রেখেছে। মােগল আমলের পূর্ণ থেকেই ঢাকায় মসজিদ নির্মাণ শুরু হয়, যেমন- নারিন্দার বিনত বিবির মসজিদ। মােগল সুবাদারদের পৃষ্ঠপােষকতায় ১৬০৮ থেকে ঢাকায় অসংখ্য মসজিদ নির্মিত হয়। যে কারণে কায়রাে ও ইস্তাম্বুলের মতাে ঢাকাকে মসজিদনগরী বলা হয়। এই যুগের সর্বাপেক্ষা উৎকর্ষতা লাভ করে শায়েস্তাখানী স্টাইলে নির্মিত মসজিদগুলাে, যা সুবাদার শায়েস্তা খান নির্মাণ করেন, যেমন- মুহাম্মদপুরের সাত গম্বুজ মসজিদ, চকবাজারের শাহী মসজিদ। নামাজ পড়া অবশ্য পালনীয় ধর্মীয় কর্তব্য। তাই মসজিদ নির্মাণ সাবলীল গতিতে চলে ঢাকানগরীকে সমৃদ্ধ করেছে। ঢাকাকে বিভিন্নভাবে বর্ণনা করা হয়েছে ‘গােল্ডেন সিটি’, ‘রােমান্টিক সিটি’, ‘কুইন অব দ্যা ইস্ট', এপিসেন্টার অব কমার্স'। মসজিদনগরী ঢাকা’র রচনা ও প্রকাশনার মূল উদ্দেশ্য পাঠকবর্গকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নির্মিত মসজিদগুলাের সাথে পরিচিত করে দেয়া। মাওলা বাদার্স থেকে প্রকাশিতব্য ‘ঢাক থেকে ঢাকা’ গ্রন্থে ঢাকার মােগল স্থাপত্যকলা সম্বন্ধে বিশদ জানা যাবে।