24 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 100TK. 89 You Save TK. 11 (11%)
1. রামের খড়ম, দেব গৌড়ের ছবি এ হাসিনা-বসু আলোচনা
2.পার্বত্য এলাকায় মাদক চোরাচালানে মদদ দিচ্ছে কে?
3. কমলগঞ্জেও গ্যাস ক্ষেত্রে অগ্নিকাণ্ড : বাংলাদেশ বিরোধী আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত
বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।
বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।
লেখক,কলামিস্ট,সাংবাদিক ড.রেজোয়ান সিদ্দিকী
লেখালেখির সাথে আছেন ১৯৭২ সাল থেকে।
তিনি রাজনীতি, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়,
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে লিখে থাকেন।
ভৌগোলিক অবস্থিতি, সংস্কৃতি, ধর্ম,রাজনৈতিক
মতাদর্শ ও ক্ষমতার পালাবদল প্রভৃতি কারণে
প্রতিবেশী ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক বেশ
গুরুত্বপূর্ণ এবং তা পরিবর্তিত হয় দিন দিনান্তে।
পৃথিবীর প্রতিটি সুসম্পর্কই উভয় পক্ষকে লাভবান
করে আর দুঃসম্পর্কও প্রভাবিত করে উভয় পক্ষকেই।
তেমনটি দেখা যায়না বাংলাদেশ- ভারত সম্পর্কে,
এখানে সুবিধার ভাগটা পুরোপুরিই ভারতের ঘরে।
তবে, সব সরকারের আমলেই বিশেষতঃ লেখকের
অনুসন্ধানে ভারতঘেষা হিসেবে চিহ্নিত আওয়ামী
লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ভারতের সাথে সুসম্পর্কের
বহিঃপ্রকাশ হিসেবে সম্পাদিত হয় বেশ কিছু চুক্তি, যার
সবকটাতেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশ, লাভবান
হয়েছে ভারত এবং কেবল ভারত।
ফারাক্কা বাধের করাল গ্রাসে মরুভূমিতে পরিণত
হতে বসেছে আজ বাংলাদেশের গোটা উত্তর-
পশ্চিমাঞ্চল, যেটা আয়তনে বাংলাদেশের এক
তৃতীয়াংশ।
বইটি মূলত রেজোয়ান সিদ্দিকীর একটি কলাম সংকলন,
যে কলামগুলো মূলতঃ বিগত আওয়ামীলীগ শাসন
আমলে ১৯৯৬-২০০১ সালে রচিত।
লেখাগুলো ছাপা হয়েছিল দৈনিক দিনকাল,
সাপ্তাহিক অগ্রযাত্রা, সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়।
গ্রন্থের লেখাগুলোতে যে মনোভাব ফুটে উঠেছে
তা ঐ সময়ের সাধারণ মানুষের মনোভাবেরই
প্রতিফলন বলে লেখকের দাবি। একজন সাংবাদিক
হিসেবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে অবিরাম যোগাযোগ
এর ফলে তাদের মনোভাব জানা লেখকের জন্য
সহজতর হয়েছিল।
১৯৯৬ হতে ২০০১ সাল পর্যন্ত সময়ের পরিসরে
ভারতের সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গার পানি চুক্তি,
পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তিচুক্তি এবং ভারতের সঙ্গে
বাংলাদেশের বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলো যে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক,সামাজিক,অর্থনৈতিক,
সাংস্কৃতিক চুক্তির অনুকূলে ছিলনা;বরং সেগুলো
ভারতের স্বার্থের অনুকূল ছিল, সে বিষয়টিই
লেখাগুলোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা
করেছেন লেখক।
এছাড়া পার্বত্য এলাকায় বিশৃঙ্খলা,চোরাচালান,
কমলগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রে অগ্নিকান্ড, ভারতীয়দের
অবৈধ অনুপ্রবেশ,শান্তিবাহিনীর নৈরাজ্যের পিছনে
ভারত কিংবা অন্য কোন আধিপত্যবাদী শক্তির
হাত থাকতে পারে কিনা তা সতর্কতার সাথেই
অনুসন্ধান করেছেন সাহসী এ কলমসৈনিক।
পাশাপাশি, সার্কের বাইরে ভারত- বাংলাদেশ
দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোট গঠন,
ভারতের সেভেন সিস্টার্স খ্যাত সাত
রাজ্যের বিদ্রোহীদের দমাতে বাংলাদেশকে
ব্যবহারের ছক ইত্যাদির পেছনে ভারতের আসল
উদ্দেশ্য কি থাকতে পারে সে প্রশ্নেরও উত্তর
খুজেঁছেন লেখক।
বইটির পরিশিষ্ট অংশে সন্নিবেশিত রয়েছে ১৯৭৭
সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে
সম্পাদিত গঙ্গার পানিবন্টন চুক্তি এবং ১৯৯৬ সালে
শেখ হাসিনার শাসনকালে সম্পাদিত পানি চুক্তির
পূর্ণ বিবরণ। আরো রয়েছে পার্বত্য শান্তিচুক্তির
সুবিস্তৃত বিবরণ।
কাজেই, বইটি পড়ে সচেতন পাঠক বাংলাদেশ ভারত
সম্পর্কে ভারতের অনবরত শোষণ নীতি,
পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে বিদেশী শক্তির হস্তক্ষেপের
ধারণা পাওয়ার মাধ্যমে এ ব্যাপারে সোচ্চার
হতে পারবেন এমনটিই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।