131 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 250TK. 229 You Save TK. 21 (8%)
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে আটাশ বছর একজন অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার স্মৃতিচারণ মাত্র নয়। এটি একাথে আমাদের সেনাবাহিনীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাসও। সেনা জীবনের স্মৃত
বইটি অসাধারণ। অামি মনে করি বাংলাদেশের সকল যুবক ও তরুণদের বইটি পড়া উচিত।তাহলে,তারা উপলব্ধি করতে পারবে দেশের জন্য কিভাবে গত প্রজম্মের যুবকরা ঢাল হয়ে উঠেছিলো। অামাদের প্রজম্মের কি করা উচিত এবং বাংলাদেশ নিয়ে অামাদের ভয় পাওয়ার তিল পরিমাণে কোনো কারণ নেই।বইটি সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরের অনেক বিষয় উঠে এসেছে। যা একটি তরুণকে অাশান্বিত করতে, সচেতন করতে এবং স্বপ্ন লালন করতে সহায়তা করবে।পরিশেষে নিজ মাতৃভূমি নিয়ে গর্ব করার এক অলিখিত ঔষধ হিসেবে কাজ করবে বইটি।কৃতজ্ঞতা ও বিনয়ের সাথে সালাম জানাই, সূর্যসন্তান অকুতোভয়ী সমরাঙ্গের বীর মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম ( বীর প্রতীক) কে।তিনি অামাদের দেশের একজন মূল্যবান সম্পদ।।
Was this review helpful to you?
By Shadin Pranto , Oct 6, 2019
Verified Purchase
মেঃ জেঃ ইবরাহিম বর্তমানে পরিচিত রাজনীতিবিদ। দীর্ঘদিন ধরে সেনাবাহিনীতে ছিলেন এই বীরপ্রতীক। সেনাকর্মকর্তা ইবরাহিম তাঁর কর্মজীবনের স্মৃতিকে লিপিবদ্ধ করেছেন ১১৬ পাতার বইতে।
এই বইয়ের সবচেয়ে ভালো দিক হল জনাবের সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরের ঘটনাগুলোকে সংক্ষেপে উপস্থাপন। মূলত, ১৯৯৬ সালে জেনারেল নাসিমের 'সেনাঅভ্যুথানের ' সময় যশোরের জিওসি ছিলেন লেখক। তাই সেই টালমাটাল অবস্থা সম্পর্কে তার পটভূমি নিয়ে জানতে যাঁরা আগ্রহী, তাঁদের জন্য সুখবর আছে বইটিতে।
জিয়া এবং এরশাদের শাসনামলে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত ছিলেন জনাব ইবরাহিম। এরশাদের আমলে পার্বত্যচট্টগ্রামে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা ইবরাহিমের জবানিতে শান্তিপ্রক্রিয়ার অজানা দিকের কথা যেমন লিখেছেন তিনি, তেমনি এরশাদের পতনের সময় সেনাবাহিনীর ভেতরকার কথা লিখেছেন। দাবি করেছেন, ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়কের ব্যবস্থা মেনে নিতে তৎকালীন সেনাবাহিনী চাপ প্রয়োগ করতে প্রস্তুত ছিল খালেদা জিয়াকে।
সাধারণ লোকের সেনাবাহিনী নিয়ে আগ্রহ (ইতি/নেতি) থাকলেও জানার সুযোগ কম। তাই সুযোগ কিছুটা হলেও পূরণ করবে এই বই। দলাদলি, পক্ষপাতিত্ব যে সব জায়গাতেই থাকে তার আভাস ইবরাহিম বারবার দিয়েছেন।
যিনি সেনাবাহিনীর এত উচ্চপদে ছিলেন তাঁর স্মৃতিকথাতে নিশ্চয়ই পাঠককে চমকে দেয়ার মতো, জ্ঞানচক্ষু খুলে দেয়ার মতো কিছু থাকবে বলে আশা করে বইখান ধরেছিনু। রীতিমত ত্যক্ত করে ছেড়ে দিয়েছেন মেঃ জেঃ সাহেব। সেনাবাহিনীর পদবির ভারিত্বে তাঁর লেখা এত ভারি হয়ে উঠেছে যে, সেনাবহির্ভূত সাধারণ পড়ুয়ার কালঘাম ছুটিয়ে দিতে পারে। আগ্রহী পড়ুয়া নিমিষেই হয়ে উঠতে পারেন সেনাবাহিনীর পদবিবিদ্বেষী!
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যেসব তথ্যগত বির্তক সমাজে ওঠে তার সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়ার প্রত্যাশা বীরপ্রতীক ইবরাহিমের কাছে থাকাটা স্বাভাবিক। যেমনটা ভাবতেই পারি তিনি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন বিদ্রোহ নিয়ে নিজের অবস্থান ও বিভিন্ন ব্যক্তির ভূমিকা পরিষ্কার করবেন। অথচ মেঃ জেঃ ইবরাহিম একজন শুদ্ধ পলায়নবাদী । বারবার এড়াতে চেয়েছেন নিজে যা দেখেছেন তা জানানোর দায়িত্ববোধকে।
আসলে এক 'এসকেপিস্টের' জবানি "সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে আটাশ বছর"।