অবশেষে ‘গামা আব্দুল কাদির : প্রশান্তপারের বাঙালি নাবিক (The Bengali Voyager of the Pacific)’ শীর্ষক সম্মাননা গ্রন্থটি আলোর মুখ দেখল।
চিরায়ত প্রথার বাইরে গিয়ে, জীবদ্দশাতেই আমরা এই কালপুরুষের জীবনঘনিষ্ঠ উপাখ্যানভিত্তিক সম্মাননা গ্রন্থটি আমরা সাজিয়েছি। দেশ-বিদেশের নানা বয়স ও অভিজ্ঞতার শিক্ষাবিদ, গবেষক, প্রাবন্ধিক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, সুহৃদ, বন্ধু এবং আপনজনদের হৃদয়ছোঁয়া কথামালায় গ্রন্থটি সমৃদ্ধ হয়েছে। কয়েক প্রজন্মের অভিবাসীর কলমে উঠে এসেছে অসংখ্য মূল্যবান স্মৃতি ও অনুভব। গল্পের নায়কের চরিত্র অঙ্কনে লেখকদের এমন নিবিড় মনঃসংযোগ তাদের আন্তরিক সাড়াকেই উজ্জ্বলভাবে প্রতিফলিত করে।
যারা তাদের মূল্যবান লেখা ও সময় দিয়ে আশাতীতভাবে এই প্রকাশনাকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের সকলের প্রতি রইল আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। পাশাপাশি অসংখ্য ‘গামা-গুণগ্রাহী’ যারা অকপট পরামর্শ ও উৎসাহ দিয়ে আমাদের কাজকে অনুপ্রাণিত করেছেন, তাদেরকেও জানাই সাধুবাদ।
উপদেষ্টামণ্ডলীসহ যারা তাদের মেধা, সময় ও শ্রম দিয়ে এই গ্রন্থকে অলংকৃত করেছেন, তাদের প্রতি আমাদের অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
আমরা সময়কে সাক্ষী রেখে আগামী প্রজন্মের দিকে তাকিয়ে আছি―এমন আরও বহু জীবনচরিতভিত্তিক উপাখ্যানের প্রত্যাশায়।
এবার একটি কথা না বললেই নয়। এই সম্মাননা গ্রন্থের প্রকাশনায় এমন একজনের অবদান রয়েছে, যিনি দৃশ্যমান নন, ধরা দেন না, অথচ এর প্রতিটি পরতে পরতে তার উপস্থিতি নিবিড়ভাবে অনুভূত। তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত জনাব এস. এম. আব্রাহাম লিংকন। মূলত তার সার্বিক তত্ত্বাবধানেই সম্পাদনা পরিষদ এই অর্ঘ্য আপনাদের হাতে তুলে দিতে সক্ষম হয়েছে।
আমরা অকপটে স্বীকার করছি―সূচিক্রমসহ প্রকাশনায় অনিচ্ছাকৃত কিছু বানান ও মুদ্রণপ্রমাদ থেকে যেতে পারে, যা আপনাদের মনঃকষ্টের কারণ হতে পারে। এ জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং ভবিষ্যতে সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। সময়ের খেরোখাতায় আমাদের যতটুকু অর্জন, তার পুরোটাই আপনাদের প্রাপ্য―সমস্ত দায় কেবল আমাদের।