মেডিকেল সায়েন্সের আপাত শান্ত পর্দার আড়ালে জড়িয়ে আছে ক্ষমতা, কূটনীতি আর কোটি ডলারের গোপন খেলা৷ বিশ্বজুড়ে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়া রহস্যময় মহামারী যখন মানবজাতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড় করিয়ে দেয়, তখন উদ্ধারকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয় অভিনব প্রতিষেধক। তার নাম 'ভ্যাক্সিন'। কিন্তু জীবনদায়ী ভ্যাক্সিনের পেছনে কি শুধুই মানবতার কল্যাণ লুকিয়ে আছে? নাকি ভ্যাক্সিন বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করার সুদূরপ্রসারী ভূ-রাজনৈতিক অস্ত্র? গোপন গবেষণাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে শুরু করে পরাশক্তিগুলোর নীতিনির্ধারণী টেবিল সবখানেই চলছে ষড়যন্ত্র । একদিকে অসহায় কোটি কোটি মানুষের জীবন, অন্যদিকে করপোরেট লোভ আর আন্তর্জাতিক আধিপত্যের নীল নকশা। এই মরণখেলায় কে বন্ধু আর কে শত্রু, তা চেনা দায়। বিজ্ঞান, কূটনীতি এবং স্নায়ুযুদ্ধভিত্তিক টানটান উত্তেজনার আখ্যান ‘ভ্যাক্সিন নেশন’। লেখক দাবি করেছেন, ভ্যাক্সিন মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় তো না-ই উলটো প্রাকৃতিক উপায়ে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাকে চিরতরে পঙ্গু করে দেয়। শিশুদের অটিজম, অ্যাজমা, অ্যালার্জি থেকে শুরু করে বড়দের বিভিন্ন অটোইমিউন রোগ এবং স্নায়বিক জটিলতার পেছনে ভ্যাক্সিনের ভেতরে থাকা ক্ষতিকর পারদ (থিমেরোসাল), অ্যালুমিনিয়াম কিংবা ফরমালডিহাইডের মতো বিষাক্ত রাসায়নিকের গভীর সংযোগ রয়েছে যা জনসমক্ষে কখনোই আসতে দেওয়া হয় না।নিজের পরিবারের শরীরকে সুস্থ রাখার এক অসীম জ্ঞান ও সচেতনতার পথ দেখাবে এই অনুবাদ গ্রন্থটি। ভ্যাক্সিনের আড়ালে থাকা সত্য-মিথ্যার গোলকধাঁধা ভাঙতে এবং প্রকৃতির নিজস্ব নিরাময় ক্ষমতার ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনতে ‘ভ্যাক্সিন-নেশন’ প্রতিটি সচেতন পাঠকের জন্য একটি অবশ্য পাঠ্য বই।