ইট-পাথরের দেয়াল নয়, অধিকার ও কর্তব্যের সামান্য ভারসাম্যহীনতাই একটা শান্ত ঘরকে বিষাদময় করে তোলে। এমন কোনো ঘর, এমন কোনো পরিবার খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, যেখানে কখনো দু’একটি কথা কাটাকাটি হয়নি। আর সেই সামান্য কথাবার্তাই কখনো কখনো ভয়ংকর রূপ নেয়। ভেঙে যায় সংসার, ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় পরিবার, সম্পর্কের উষ্ণতা পরিণত হয় দহনজ্বালায়।
এই অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো ঝগড়াগুলোর পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়? এর প্রতিকার কী? গৃহস্থালির জটিল সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধানের আলো খুঁজে পেতে পারে? মতবিরোধ ও বিরোধের এই অন্ধকারকে দূর করার উপায় কী? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার আন্তরিক প্রয়াসই এই পুস্তিকার মূল উদ্দেশ্য। কুরআন ও হাদিসের আলোকিত নির্দেশনার ভিত্তিতেই এখানে পথনির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বইয়ের পাতায় পাতায় আপনি হয়তো এমন কিছু কথা খুঁজে পাবেন, যা আপনাকে চমকে দেবে!
সৌভাগ্যের কবর
জীবন আকাশের এই প্রজ্বলিত সূর্য একদিন অস্ত যাবে। জীবনের অন্তিম শয্যা শেষে পাড়ি জমাবে তাঁর স্থায়ী ঠিকানায়। তবে তার আগেই যে আমাদের পাথেয় সংগ্রহ করতে হবে চিরস্থায়ী জীবনের জন্য। অনন্তকালের সেই সফরের জন্য আমরা কি পুরোপুরি প্রস্তুত?
.
একদিন দুনিয়ার ব্যস্ততা, কোলাহল, যানজট, জীবনের ছন্দ হঠাৎ থেমে যাওয়ার সাথে সাথে আমরাও পৌঁছে যাব নিজের আসল ঠিকানায়। জান্নাতের বাগানের সবুজ ঘাসের গালিচা বিছানো কবরে ফুলের সুঘ্রাণে দখিনা-হাওয়া আলোরিত হবে। নেক আমলগুলো সূর্যের মৃদু কিরণের ন্যায় ঝলমল করবে; যা নূর ছড়াবে আমাদের অন্ধকার কবরে। এমন সৌভাগ্য স্বপ্ন থেকে বাস্তবে পেতে হলে “সৌভাগ্যের কবর” বইটি পড়তেই হবে আপনাকে।