আমরা এক অদ্ভুত জৌলুসময় অন্ধকারে বাস করছি। এসি রুমের কমফোর্ট জোন, পকেটে ক্রেডিট কার্ড, ল্যাপটপের ব্রাউজিং হিস্ট্রি আর কর্পোরেট ডেক্সের অন্তহীন ফাইলের আড়ালে প্রতিদিন চাপা পড়ে যায় একেকটি জীবন্ত আত্মা। বাহ্যিক পারফরম্যান্সের ড্যাশবোর্ডে আমরা যতটা ‘সফল’, গভীর রাতের একাকীত্বে আমাদের মনস্তত্ত্ব ঠিক ততটাই বিধ্বস্ত, ক্লান্ত ও দিশেহারা।
আজকের ‘পোস্ট-ট্রুথ’ বা উত্তর-সত্যের যুগে—যেখানে অফিসে পলিটিক্স আছে, ঘরে ‘টাইমলাইন অ্যাংজাইটি’ আছে, আর সোশ্যাল মিডিয়ায় আছে চরিত্রহননের নোংরা খেলা—সেখানে বুক টান করে, নীতি সোজা রেখে বেঁচে থাকার ব্যাকরণটা আসলে কী?
এই বইটি কোনো চটকদার মোটিভেশনাল স্পিচ নয়; এটি মূলত হাজার বছর আগের নবী-রাসূল ও পুণ্যবানদের হৃদয়ের আকুতি এবং আল-কুরআনের কালজয়ী মোনাজাতগুলোর এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ময়নাতদন্ত (Spiritual & Psychological Anatomy)।
এই বইয়ের পাতাগুলো ওল্টালে আপনি জানতে পারবেন:
কর্পোরেট গোলকধাঁধায় ‘রাশাদ’: বাজার বিশ্লেষণ আর এক্সেল শিটের ডেটার বাইরেও কীভাবে কাজে ‘বারাকাহ’ ও অলৌকিক সুব্যবস্থাপনা আনতে হয়।
টক্সিক ওয়ার্কপ্লেস ও হিজরত: অনৈতিক সিন্ডিকেটের মুখে নিজের আত্মমর্যাদা বাঁচিয়ে কীভাবে সম্মানজনক ‘এক্সিট রুট’ তৈরি করতে হয়।
সাফল্যের চূড়ায় ইউসুফ থেরাপি: ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ পদে বসেও কীভাবে অহংকার চূর্ণ করে একটি নিখুঁত ও নিষ্কলুষ ‘ক্লোজিং স্ট্র্যাটেজি’ ডিজাইন করতে হয়।
মিজানের কমপ্লায়েন্স অডিট: দুনিয়ার চাটুকারিতা আর ভলিউমের পেছনে না ছুটে পরকালের চূড়ান্ত ফরেনসিক অডিটে নিজের আমলনামাকে ওজনে ভারী করার কৌশল।
এটি কেবল একটি বই নয়, এটি বিভ্রান্তির এই চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে নিজের ঈমানী আভিজাত্য, মানসিক স্থিরতা ও নৈতিক মূল্যবোধকে আগলে রাখার এক অভেদ্য সুরক্ষার দেয়াল। আপনি যদি একজন কর্পোরেট পেশাদার, ব্যাংকার, গবেষক, লেখক কিংবা জীবনের মাঝপথে দিক হারিয়ে ফেলা কোনো পরিব্রাজক হন—তবে এই বইয়ের প্রতিটি পৃষ্ঠায় আপনি খুঁজে পাবেন আপনার নিজেরই জীবনের না-বলা স্ক্রিপ্ট এবং তার এক অলৌকিক ঐশী সমাধান।