ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট : ব্যুরো অব এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্স-এর ‘ইন্টারন্যাশনাল ভিজিটর লিডারশিপ প্রোগ্রাম’-এর আওতায় মানবাধিকার-আইনবিদ, সংগঠক ও লেখক জিয়া হাবীব আহসান মার্কিন-যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন-ডিসি, নিউ মেক্সিকো, পোর্টল্যান্ড অরিগন, আটলান্টা, জর্জিয়া, নিউ ইয়র্ক প্রভৃতি অঙ্গরাজ্য সফর করেন| সফরকালে ইউএস সুপ্রিম কোর্ট, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কার্যালয়, আমেরিকান বার এসোসিয়েশন, হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটি ল’ স্কুল, ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস, ফেডারেল জুডিশিয়াল সেন্টার, ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট, জর্জটন ইউনিভার্সিটি ল’ সেন্টার, ওয়ার্ল্ড লার্নিং, ইসলামিক সেন্টার, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস, সান্তাফে কাউন্সিল অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস কার্যালয়, Tesuque Publo Tribal Court, দি আমেরিকান সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়ন অব নিউ মেক্সিকো কার্যালয়, পোর্টল্যান্ড KBOO এফএম রেডিয়ো সেন্টার, পোটর্ল্যান্ড পুলিশ সদর-দপ্তর, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও হিউম্যান রাইটস ফার্স্ট কার্যালয়, জাতিসংঘ সদর-দপ্তর প্রভৃতি পরিদর্শন করেন|
এই আয়োজনের মাধ্যমে পরস্পরের শৃঙ্খলা-সংস্কৃতি বিনিময়, আইন ও মানবাধিকার-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সেমিনার ও অভিজ্ঞতার সন্ধান নিয়ে অনুশীলন হয়েছে| এখানকার সমস্ত অভিজ্ঞতা এই বইয়ে লিপিবদ্ধ করেছেন| বিভিন্ন চিন্তা ও আইন-কার্যক্রম কেমন হওয়া উচিত তার বিশ্লেষণ-গবেষণার আকরগ্রন্থ|
‘মানবাধিকার, মার্কিন বিচার-ব্যবস্থা ও অন্যান্য’ বইটি সব-সময়ের জন্য তথ্যবহুল উপস্থাপনা| এই বইয়ে জার্মান, সিঙ্গাপুর, নেপাল ও থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সেমিনার, মানবাধিকার-চিন্তার জরুরি সফররূপে গ্রন্থভুক্ত হয়েছে| যা পাঠকের চিন্তাচর্চায় নতুন মাত্রা যুক্ত করবে|
...........................
জিয়া হাবীব আহসান
তাঁর পূর্ণ নাম এ. এম. জিয়া হাবীব আহসান|
তিনি চট্টগ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৬৩ সনের ২৬ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন|
তিনি প্রখ্যাত আইনবিদ মরহুম আবু মোহাম্মদ য়্যাহয়্যা ও মহিয়সী নারী মরহুমা আলহাজ্ব জায়তুন আরা বেগমের একমাত্র পুত্র| তিনি ৭ ভাইবোনের মধ্যে জ্যৈষ্ঠ সন্তান|
তাঁর মাতামহ মরহুম অ্যাডভোকেট এজাহার হোসাইন বি, এল (ব্যাচলর অব ল’)|
জিয়া হাবীব আহসানের সহধর্মিনী আশফা খানম চট্টগ্রামের ইংলিশ মিডিয়াম ন্যাশনাল কারিকুলাম স্কুল সিভিএনএস-এর অধ্যক্ষ, তিনি চট্টগ্রামের বিশিষ্ট নাগরিক ব্যারিস্টার আমিনুল হক এর জ্যৈষ্ঠ সন্তান| দাম্পত্য জীবনে তিনি এক কন্যা ও তিন পুত্র সন্তানের জনক|
জিয়া হাবীব আহসান ১৯৮০ সালে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৮২ সালে চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হন| স্কুল জীবন থেকে তিনি স্কাউট আন্দোলনের মাধ্যমে মানবাধিকার কর্মকাণ্ড ও পরোপকারী জীবন পরিচালনা করে আসছেন| তিনি রাষ্ট্রপতি পদকপ্রাপ্ত একজন স্কাউটলাভার| চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজত্বত্ত্ব বিষয়ে অনার্স এবং মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৯৯০ সালে এলএল.বি পাশ করেন|
তিনি পড়াশোনা শেষে ১৯৯৩ সালে আইন পেশায় যোগদান করেন| তিনি ২০০৯ সালে এলএল.এম ডিগ্রি অর্জন করেন| ১৯৯৬ সালে হাইকোর্ট ডিভিশনে প্র্যাকটিসিং সনদ এবং ২০০০ সনে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বার এর সদস্য পদ লাভ করেন| ১৯৯৩ সালে টেক্স বার চট্টগ্রামের সদস্য পদ লাভ করেন| পেশাগত জীবনে তিনি দীর্ঘদিন এ্যাসিস্টেন্ট পাবলিক প্রসিকিউটর এর দায়িত্ব পালন করেন এবং সীমা ধর্ষণের আলামত গোপন মামলায় এডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর এর দায়িত্ব পালন করছেন| তিনি একজন পরিবেশ, মানবাধিকার ও কর্পোরেট আইনবিদ|
এছাড়াও তিনি যেসব প্রতিষ্ঠানের আইন উপদেষ্টা ও প্যানেল ল’ইয়ার হিসেবে কাজ করেছেন এবং করে আসছেন সেগুলো হচ্ছে যথাক্রমে চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিস্কাশন কর্তৃপক্ষ-ওয়াসা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), ইউসিবিএল, আইবিবিপিএলসি, এফএসআইবিপি এলসি, রূপালী ব্যাংক লি:, ইউনিয়ন ব্যাংক লিঃ, জিআইবি,বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক পিএলসি, আইসিবি ব্যাংক পিএলসি, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, মিউচ্যুয়াল ট্রাষ্ট ব্যাংক লি:, ইবিএল, এনসিসি ব্যাংক লি:, কমার্স ব্যাংক লি:, চিটাগাং ডিস্ট্রিক্ট লিগ্যাল এইড কমিটি, ব্যাংক এশিয়া লি:, যমুনা ব্যাংক লি:, ইসলামিক ফাইনান্স এন্ড ইনভেস্টম্যান্ট লি: (আইএফআইএল), বৃটিশ আমেরিকান টোবাকো বাংলাদেশ, এসজিএস বাংলাদেশ লি:, ˆদনিক আজাদী, এ্যাপেলো ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম, ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড সায়েন্স, মাইডাস সেইফটি (MIDAS safety), Institute of Applied Health Science (IAHS), FAS Finance