আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি। তারপর তাকে এক সংরক্ষিত স্থানে একটি বীজের ফোঁটা রূপে বা 'নুতফাতুল আমশাল' (অর্থাৎ দুটি জননকোষের মিলিত রূপে বা জাইগোটরূপে) হিসেবে একটি 'কারারিম মাকিন' অর্থাৎ নিরাপদ বা সংরক্ষিত আবাসে দৃঢ়ভাবে স্থাপন করেছি। অতঃপর আমি এ 'আলাক্ব'-এতে (জোঁকের মতো জিনিস/কোনোকিছু যা লেগে থাকে/রক্তের মতো জমাট-বাঁধা বস্তু) পরিণত করেছি, এরপর এ আলাকুকে একটি 'মুগদা'তে (খণ্ড খণ্ড মাংসপিণ্ড) পরিণত করেছি। তারপর মুগদাকে 'ইজমা'য় (অস্থিমজ্জা) পরিণত করি। সে অস্থিমজ্জার ওপর গোশত বসিয়েছি। শেষ পর্যন্ত তাকে অপর এক সৃষ্টির রূপ দিয়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছি।
সুরা মুমিনুন, ২৩: ১২-১৪
অবশ্যই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি এক ফোঁটা সংমিশ্রিত তরল থেকে তাকে পরীক্ষা করার জন্য; এ কারণে তাকে দিয়েছি দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তি।
সুরা দাহর, ৭৬: ২
তিনিইতো তোমাদের মায়েদের গর্ভে তোমাদের আকার আকৃতি নিজের ইচ্ছামতোন বানিয়ে থাকেন।
সুরা ইমরান, ৩: ৬
যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুঠাম করেছেন, তারপর সুবিন্যস্ত করেছেন। আর তিনি তোমাকে যে আকৃতিতে চেয়েছেন, সংযোজিত করেছেন।
সুরা ইনফিতর, ৮২: ৭৩৮
আর আমি গর্ভাধারে স্থিত রাখি, যা ইচ্ছে করি এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত। তারপর আমি তোমাদেরকে শিশুর আকারে মাতৃগর্ভ থেকে বের করি, অতঃপর যেন তোমরা যৌবনে উপনীত হও। আর তোমাদের মধ্যে কতক এমনও আছে যাদেরকে পৌঁছানো হয় অকর্মণ্য বয়স পর্যন্ত, ফলে যে বিষয়ে তার জানা ছিল, তা সে মনে রাখতে পারে না।
সূরা হাজ্জ, ২২:৫
আমি যাকে দীর্ঘায়ু দান করি, তার স্বাভাবিক অবস্থা উল্টে দেই। তবুও কি তারা বুঝে না?