আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ পাকের অশেষ কৃপায় স¤পন্ন করতে সক্ষম
হলাম আমার লেখা প্রথম উপন্যাস “নিওমেমরি: রিমঝিম বৃষ্টির
শহরে”। এই উপন্যাসটি শুধুমাত্র একটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নয়;
এটি একটি আবেগপূর্ণ মানবিক ট্র্যাজেডি যা স্মৃতি, পরিচয়, ভালোবাসা
ও ক্ষমার গভীরে ডুব দেয়। এটি ঢাকা শহরের সেই গল্প, যার রিমঝিম
বৃষ্টিতে ভেজা রাস্তায় শুরু হয় এক মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ, যে যুদ্ধ মানুষের মন
ও স্মৃতির মালিকানা নিয়ে।
এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র অর্পা রহমান — এক তরুণী ক্লিনিকাল
সাইকোলজিস্ট। এই শহরেই, এক রিমঝিম বৃষ্টির সকালে তার সামনে
হাজির হয় এক রহস্যময় সাদা বিড়াল — যার গলায় ঝুলছে নীল
ক্রিস্টালখচিত কলার, যার চোখে জ্বলছে অতিপ্রাকৃত এক বুদ্ধিমত্তা।
এই বিড়ালটির মাধ্যমে সে ডুবে যায় এক অকল্পনীয় রহস্যের গভীরে।
উপন্যাসটি তিন বন্ধুর ট্র্যাজেডির গভীরে ডুব দেয় — ড. ওয়াসির
আহমেদ, ড. নীলা চৌধুরী এবং ড. ইলিয়াস রহমান— যাদের মহৎ
উদ্দেশ্য পরিণত হয় “মেমোরি ভ্যা¤পায়ার” নামক এক ভয়ঙ্কর অস্ত্রে।
এটি সেই যন্ত্র যা মানুষের সুখের স্মৃতি শুষে নিয়ে ভরাট করে দেয় খাঁটি
হতাশা আর আনুগত্যে।
কিন্তু এখানেই থেমে থাকে না রহস্য। যখন তারা ভাবে যুদ্ধ শেষ,
তখনই উন্মোচিত হয় চূড়ান্ত সত্য। “নিওমেমরি: রিমঝিম বৃষ্টির শহরে”
পাঠককে নিয়ে যাবে ঢাকার বৃষ্টিভেজা রাস্তা থেকে ভবিষ্যতের
অত্যাধুনিক ল্যাবে, ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি থেকে মহাজাগতিক ষড়যন্ত্রের
ভূ মি কা
যেখানে প্রতিটি স্মৃতি এক যুদ্ধক্ষেত্র, প্রতিটি চিন্তা এক অস্ত্র , এবং
ভালোবাসাই একমাত্র অস্ত্র যে অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ করা যায় অন্ধকারের
বিরুদ্ধে। সুতরাং সুপ্রিয় পাঠক, প্রস্তুত থাকুন এমন এক যাত্রার জন্য,
যা আপনার ধারণা স¤পূর্ণ বদলে দেবে।
“নিওমেমরি: রিমঝিম বৃষ্টির শহরে” প্রকাশকালীন সময়ে আমি
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মেঘদূত প্রকাশনের খান আফিফা লুনার কাছে।
অনবরত লেখার জন্য তাগিদ দিয়ে লেখককে অনুপ্রাণিত করার
ব্যাপারে তাঁর ভূমিকা অনবদ্য। আমার জ্যেষ্ঠ পুত্র এম. জুবায়ের আলম
চৌধুরী স¤পূর্ণ উপন্যাস পড়ে প্রচ্ছদ তৈরি করতে যে ত্যাগ স্বীকার
করেছে— তা বলাই বাহুল্য। সর্বোপরি, আমার সার্বিক কার্যক্রমের বলয়
যাকে ঘিরে, তাঁরই পরোক্ষ সহযোগিতায় অনবরত লিখে যাই মহান
আল্লাহ রব্বুল আলামিনের অশেষ কৃপায়।
তাহেরা আখতার চৌধুরী
ফুলার রোড, ঢাকা।