সকল প্রশংসা আল্লাহ তাআলার উপর। এ পদ্যগ্রন্থে কিছু বাকি অংশ ছাড়া সম্পূর্ণ অংশ বাস্তব। আমার লেখা বই, 'পাখির কন্ঠ', যাতে পাঠক গণের কাছে সফল হয়।
তাতেই আমার আবেগীয় লেখা সুন্দর ভাবে ব্যক্ত করতে চেষ্টা করি, সফল হোক আশা করি ;
আমার একটানা দীর্ঘ পরিশ্রম যদি সফল হয়, এতেই আমার শান্তি, আর আনন্দ হবে সবার কাছে। এখানে একটি সাধারণ কাব্যগ্রন্থ রচিত হলো। এই কাব্যগ্রন্থে কিছু দেশের কথা, অন্যায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা, মানুষের সুখ, দুঃখ, প্রেম, ভালবাসার কথা ইত্যাদি বলা হয়েছে। আমার শারীরিক চিন্তা আর অসুস্থতা হওয়ার পর, এমনকি সাহিত্য লেখালেখি ভালোভাবে শুরু করতে পারিনি। এবং সংসারের টানে গার্মেন্টস জীবনে বেশি সময় ব্যয় করি। তারপর পুনরায় সুস্থতার পর, সময় পেলে কিছু লেখালেখি শুরু করি। আমি বাংলা সাহিত্যে কিছু সাধারণ নিয়মিত লেখক। এ কাব্যগ্রন্থে শেষের ২৭ নং কবিতা, 'তরবারি' সাপ্তাহিক যোগাযোগ সাহিত্য পাতা, পত্রিকায় -- অপ্রকাশিত লেখা প্রথম প্রকাশ হয়। আমি বাকি সময়ে সুযোগ পেলে, আমার জীবনটুকু লেখার মাধ্যমে কাটাতে পারি সেবায় ইনশাল্লাহ। আমার আল্লাহর প্রতি চির কৃতজ্ঞতা। অতএব, আমার বই প্রকাশের জন্য; মাসিক মৌমাছি ম্যাগাজিন, প্রকাশক কে, জানাই আমার পক্ষ হতে আন্তরিক স্বাগতম। আমার
' পাখির কন্ঠ ' কাব্যগ্রন্থটি, আমার প্রিয় কবি, প্রাণী জগতের কবি, ও রূপসী বাংলার কবি, জীবনানন্দ দাশ কে, উৎসর্গ করলাম।
কবি রোমান মিয়া জন্মগ্রহণ করেন ১লা নভেম্বর ১৯৯৪ সালে, বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার লাউফুল গ্রামে। তাঁর পিতা সারোয়ার জাহান (চান মিয়া) এবং মাতা আম্বিয়া বেগম। শৈশবকাল থেকেই তিনি সাহিত্য, কবিতা ও প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রতি গভীরভাবে অনুরাগী ছিলেন। গ্রামের খোলা মাঠ, নদী-খাল, গাছপালা আর সাধারণ মানুষের জীবনযাপন তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলে, যা পরবর্তীতে তাঁর লেখালেখির প্রধান অনুপ্রেরণায় পরিণত হয়।
তিনি তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা করেন বারহাট্টা সি.কে.পি. সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরবর্তীতে অতিথপুর আব্বাছিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠার ফলে তাঁর কবিতা ও লেখায় বারবার ফিরে আসে বাংলার গ্রামের প্রকৃতি, মানুষের সুখ-দুঃখ, সংগ্রাম ও আবেগঘন জীবনচিত্র। তাঁর লেখার ভাষা সহজ-সরল, তবে গভীর অনুভূতিপূর্ণ। প্রকৃতির প্রতি মমতা, মানবিক বোধ এবং অন্তর্দর্শন তাঁর কবিতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বর্তমানে কবি রোমান মিয়া তাঁর পাশের গ্রাম গোড়াউন্দে বসবাস করছেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি এক কন্যাসন্তানের পিতা। তাঁর কন্যার নাম আনিশা তাহসিন আফরা, যাকে তিনি নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে বিবেচনা করেন। আফরাকে ঘিরে তাঁর অনেক লেখায় ভালোবাসা, স্বপ্ন এবং আশার প্রতিফলন দেখা যায়।
কর্মজীবনে তিনি তামিশনা গ্রুপে একজন চাকরিজীবী হিসেবে যুক্ত আছেন। কর্মব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং লেখালেখিকে নিজের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধারণ করেছেন। কবি রোমান মিয়ার স্বপ্ন বাংলার গ্রামীণ জীবনের না বলা গল্প, মানুষের হৃদয়ের গভীর অনুভূতি এবং প্রকৃতির সৌন্দর্যকে শব্দের মাধ্যমে পাঠকের সামনে আরও আন্তরিক ও জীবন্তভাবে তুলে ধরা।