ক্রিয়েটিভ বা সৃজনশীল হওয়ার জন্য কি জন্মগত প্রতিভা লাগে? দারুণ সব নতুন আইডিয়া কি হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়ে?
আমরা অনেকেই ভাবি, নতুন কিছু তৈরি করতে হলে একদম শূন্য থেকে শুরু করতে হয়। কিন্তু সত্যিটা হলো, পৃথিবীতে একদম শতভাগ নতুন বা ‘অরিজিনাল’ বলে কিছুই নেই। যুগে যুগে সব বড় শিল্পীরাই অন্যদের ভালো কাজগুলো থেকে আইডিয়া নিয়েছেন, সেগুলো নিজের মতো করে মিশিয়েছেন এবং নতুন একটি রূপ দিয়েছেন।
অস্টিন ক্লেওনের লেখা ‘স্টিল লাইক অ্যান আর্টিস্ট’ বইটি সৃজনশীলতা নিয়ে আপনার সব প্রচলিত ভুল ধারণা চিরতরে ভেঙে দেবে। ডিজিটাল যুগের এই দারুণ বইটি প্রমাণ করেছে যে, অসাধারণ কিছু তৈরি করার জন্য আপনাকে ‘জিনিয়াস’ হতে হবে না। আপনাকে শুধু নিজের পছন্দের মানুষদের কাজ পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং সেখান থেকে ভালো জিনিসগুলো নিতে হবে!
এই জাদুকরী এবং মজার বইটি আপনাকে যা শেখাবে:
কীভাবে অন্যের দারুণ সব আইডিয়া থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে নিজের নতুন এবং অসাধারণ একটি কাজ তৈরি করতে হয়?
কীভাবে পারফেক্ট হওয়ার জন্য বসে না থেকে বা সব জানার অপেক্ষা না করে আজই কাজে নেমে পড়তে হয়?
কীভাবে কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিন থেকে দূরে সরে নিজের হাত দিয়ে সত্যিকারের কাজ করতে হয়?
কীভাবে নিজের শখগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হয় এবং সাধারণ একটি জীবনযাপন করেও অসাধারণ সব সৃজনশীল কাজ করা যায়।
আপনি একজন লেখক হোন, ডিজাইনার হোন, উদ্যোক্তা হোন বা জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে নতুনত্ব খুঁজছেন এমন কেউ হোন, এই বইটি আপনার চিন্তাভাবনার জগৎকে পুরোপুরি বদলে দেবে। এটি আপনার ভেতরের লুকিয়ে থাকা সৃজনশীলতাকে জাদুর মতো জাগিয়ে তুলবে!
অস্টিন ক্লেয়ন (জন্ম: ১৬ জুন, ১৯৮৩) একজন মার্কিন লেখক। স্টিল লাইক অ্যান আর্টিস্ট বইটির লেখক হিসেবে তিনি সর্বাধিক জনপ্রিয়। এছাড়া তার অন্যান্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে শো ইয়োর ওয়ার্ক!, কিপ গোয়িং, স্টিল লাইক অ্যান আর্টিস্ট জার্নাল এবং নিউজপেপার ব্ল্যাকআউট। তিনি ওহিওর ক্লিভল্যান্ডের একটি পাবলিক লাইব্রেরিতে তার কর্মজীবন শুরু করেন। লাইব্রেরিতে কাজ করার সময় ক্লিয়ন একজন ব্লগার হয়ে ওঠেন। ক্লিয়নের কাজ এক ডজনেরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং প্রধান প্রধান মিডিয়াতে প্রদর্শিত হয়েছে।