সাত আসমানের মালিক
ওগো সাত আসমানের মালিক
নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডলে আছে যা সৃষ্টি,
সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মালিক, সুমহান অধিপতি|
শরিক নেই, তুমি এক, অদ্বিতীয়,
নেই কোন সমকক্ষ,
সবার চাইতে বড়ো|
তোমারই ইশারায় চলে সবই|
তোমারি খুশিতে বারেবারে,
উপাসনা মোর কল্যাণে মোদের
উম্মতে মুহাম্মাদুর রসুল (সা.)|
ওগো সাত আসমানের মালিক,
ডাকে বারে আল্লাহু আকবার,
তোমারি আদেশে সুরে সুরে,
মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে বাজে গো,
জুড়িয়ে প্রাণে কাঁদে মনে কাঁদে|
মসজিদ পানে ছুটে চলে,
নামাজিরা দলে দলে|
তোমার দিদার লাভে
ইহকাল-পরকাল সঁপে দিয়ে,
নিজের জীবন দিয়েছি দান|
ওগো সাত আসমানের মালিক,
বারে বারে অবনত শির,
ঠেকিয়ে কপাল তোমাকে ডাকি|
শেষ বিচারে খুঁজো না দোষ,
দিও না শাস্তি কঠিন জাহান্নামের,
নসিব করিও মুহাম্মাদার রসুল (সা.)|
তাঁরই পাশে দাও ঠাঁই,
পরকালে জান্নাতে আমার স্থান|
কাবাশরিফ
পৃথিবীর সৃষ্টির সূচনা হতে
সাগরের বিশালতা ভরাট করে,
মহাদেশ থেকে মহাদেশ বানিয়ে,
পৃথিবীর জমিনের প্রথম অংশকে
ইসলামের রাজধানী করেছে মক্কা|
পৃথিবীর বুকে রেখেছ যতনে,
মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে
তোমারই ঘর কাবাশরিফ|
মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আঃ)
কাবার প্রতিটা পরতে পরতে,
কত স্মৃতি, কত পদচিহ্ন,
মিশে আছে ধন্য মক্কার শেষে|
আরবের ইতিহাস ঘুরে ঘুরে
মরুর পূজারিরা ৩৬০ টি মূর্তি
কাবাশরিফের ভিতরে রাখে যতনে|
বারে বারে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কাবা,
হাজরে আল আসওয়াদ ফ্রেমে বাঁধা|
আকাশে বাতাসে খবর এলো-
“আবরাহা আসছে, আবরাহা আসছে|”
বিশাল বাহিনীর সাথে হস্তি বাহিনী,
ধ্বংস করে দিতে কাবা? (নাউজুবিল্লাহ)
আরবের কত গোত্রে যুদ্ধ শেষে,
কুরাইশ বংশের মুত্তালিবের খুঁজে-
আবরাহা এল কাবাশরিফের দিকে|
অগণিত বাহিনীর হাতে পরাজয় হবে বলে
কাবাকে রক্ষায় যুদ্ধে হবে না জানিয়ে মুত্তালিবকে|
কাবাশরিফের চৌকাঠ ধরে আকাশ পানে,
চোখের জলে ভাসিয়ে ডাকে মাবুদকে-
রক্ষা করো তোমারই কাবা|