সাহিত্য ও সংস্কৃতি একটি জাতিসত্তার মূল গতিশক্তি| কোনো একটি
জাতি শিক্ষা ছাড়া সমৃদ্ধি লাভ করতে পারে না ঠিক তেমনি সাহিত্য ছাড়া
কোন একটি জাতি মানবতাবোধের কল্যাণময় চিন্তায় গড়ে উঠতে পারে না|
সাহিত্য মানুষের চিন্তার মনুষ্যত্ববোধ, ˆধর্য, সহনশীলতা, ধর্মীয় দর্শন
জাগ্রত করে হাজার
-হাজার বছরের সীমানা পেরিয়ে নিজেকে প্রকাশ করে
আপন মহিমায়| আমি আমার “অনুরাগের অনলে” উপন্যাসে চিন্তার
গভীরতা থেকে প্রেম যে মানব সত্তার আত্মসংযোগ করে সকল অকল্যাণের
সহায়ক, ˆধর্যের মানবীয় সৌন্দর্য, দূরত্ব নয় অপেক্ষা, অর্জনে নয়
বিসর্জনেও কল্যাণময়, হৃদয়াসক্তির মহাজাগরণে অনুরাগ শত-শত বছরের
পরিক্ষিত শব্দপ্রবাহ নয় সকল ঐশ্বর্যের দীপ্তিময় পূর্ণতার নাম| দেশ প্রেমের
মহানুভবতা, মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব, তরুনদের তারুন্য, সামাজিক অবক্ষয়,
নানা অনাচার, দুঃখ, বেদনা, আনন্দের যাবতীয় আবেগীয় আত্ত্বিক
মনোভাব, মূল্যবোধের পবিত্রতার বাসনাগুলোকে মূর্ত বাসনার রূপ দিতে
চেষ্টা করেছি| প্রতিটি জীবন একটি অলিখিত ও অপ্রকাশিত মহাকাব্য|
আমরা প্রত্যেকেই এই মহাকাব্যের ধারক হয়ে প্রবাহমান নদীর মতো
নিজের পরিচয় বিলীন করে দিচ্ছি| আমি আমার অন্তর আত্মার ¯^প্নগুলোকে
জাগ্রত রাখার জন্য সাহিত্য আমাকে বার
-বার তাড়িত করতো| আমি
নীরবে-নীরবে আমার ¯^প্নগুলোকে লেখনির মাধ্যমে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা
করতাম| ˆধর্যের সীমানাগুলো অতিক্রম না করে মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট
প্রার্থনা করতাম আমি যেন সাহিত্যে নিজেকে প্রকাশ করতে পারি “এ প্রজ্ঞা
মোরে কর দান|” মহান সৃষ্টিকর্তা সব প্রতিকূলতার অবসান ঘটিয়ে আমাকে
২০২৫ সালে সফলতার মহান মঞ্চে অধিষ্ঠিত করেছেন| আমি চাই ভবিষ্যৎ
প্রজন্ম হোক মানবিক মূল্যবোধের অনন্য দৃষ্টান্ত, যা জ্ঞান নির্ভর
মানবসম্পদে পরিপূর্ণ এবং আদর্শের মহাসমারোহে মানুষ হয়ে গড়ে উঠুক|
এই আদর্শ মানুষ ˆতরি হওয়ার মূল চাবিকাঠি জ্ঞান অর্জন| সাহিত্য
ভিতরের মানুষটিকে মানুষ হিসেবে বাঁচিয়ে রাখে| সাহিত্য হোক সব
মানুষের জীবনাবোধের শুভ সংবাদ| আমি কৃতজ্ঞতা জানাই ফকির সূজন
সমাজ সেবক এবং আমার প্রিয় ছাত্র সারোয়ার হোসেন নবীন লেখক|
— আব্দুস সালাম মন্ডল