পড়তে আমরা সবাই-ই জানি। তথ্য বিস্ফোরণের এই যুগে আমরা প্রতিনিয়ত পড়ছি—সংবাদপত্র, সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা সাধারণ কোনো বই; কিন্তু সত্যিই কি ‘পড়া’র অর্থ আর মাহাত্ম্য আমরা বুঝি? বই আসলেই কীভাবে পড়তে হয়, কীভাবে পড়লে বই বোঝা যায়, কীভাবে বই থেকে নির্যাসটুকু বের করে নিতে হয়—তা কি আমরা জানি?
.
আমাকে আপনাকে বই পড়ার বিদ্যে শেখানোর জন্য মর্টিমার জে. অ্যাডলার ও চার্লস ভ্যান ডোরেন মিলে লিখেছিলেন এক বই, যার নাম ‘How to Read a Book’, যা পরে পুরো বিশ্বে এক অনন্য ক্লাসিকের মর্যাদা লাভ করে। বিশ্ববিখ্যাত ধ্রুপদী এই গ্রন্থটি কেবলমাত্র পড়ার নির্দেশিকা নয়, বরং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের একটি অনন্য মানচিত্র। এই বইটি আপনাকে শেখাবে ‘পড়া’ আসলে কি জিনিস, পড়ার আগে মানসিক কি কি প্রস্তুতি নিতে হয়, পঠনের স্তরভেদ, কীভাবে চোখ কান নাক খোলা রেখে সক্রিয় পঠন করতে হয়, কীভাবে পড়ার সময় নোট নিতে হয়, কখন ও কীভাবে লেখকের সাথে দ্বিমত পোষণ করা যায়, সাথে কোনো বইকে বিচার করার সঠিক মাপকাঠি কী—ইত্যাদি নানা জিনিস। কখনও পড়ে মনে হবে “এভাবে তো ভাবিনি আগে”।
.
আপনি যদি শিক্ষার্থী হন কিংবা হন কোনো গবেষক কিংবা সাধারণ জ্ঞানপিপাসু তবে এ বইটি আপনার সংগ্রহে থাকা চাই-ই চাই।এতে করে আপনার পড়ার গতি বাড়ুক আর না বাড়ুক কিন্তু পড়ার গভীরতা বাড়বে বহুগুণ। বইটা পড়ার পর কোনো বইকেই আর আগের মত কেবল গড়গড় করে পড়ে যাওয়ার ‘বস্তু’ মনে হবে না।
.
এখানেই শেষ নয়! এই ক্লাসিকের সাথে আছে আরও দুটি প্রবন্ধ যুক্ত হয়েছে, যেগুলো গুণে ও মানে মূল বইটির চাইতে কোনো অংশে কম নয়। যার মধ্যে একটি আবার নিজেই আরেক ক্লাসিক।