মীর্জা নিলুফার জাহান, পেশায় একজন আবহাওয়াবিজ্ঞানী, সরকারি কর্মকর্তা, পদার্থবিদ, একসময়কার অধ্যাপিকা, বহু মোটিভিশনাল তিনি লিখেছেন, দেশে-বিদেশে তিনি সরকারিভাবে তিনি অনেক উচ্চতর প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছেন । ইতোমধ্যে তিনি লেখালেখি করে অনেক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছেন।
“দ্যা ফিলোসফিকাস” বইটি তার অনন্য সৃষ্টি। এই লেখিকার এবারের উপহার উপন্যাস। উপন্যাস নিয়ে যদিও সর্বসম্মত কোন সিদ্ধান্ত দেয়া যায় না, এমন একটি চ্যালেঞ্জ এবার তিনি নিয়েছেন । উপন্যাসের নাম "এসো বৃষ্টিতে ভিজি"। নামকরণই বলে দিচ্ছি এটি একটি রোমান্টিক উপন্যাস। তাঁর এই উপন্যাসের পুরোটাই আমি পড়েছে, আমার কাছে মনে হয়েছে এটি একটি বিন্দুতে সিন্ধুর মতো । উপন্যাস এটিও সাহিত্যের একটি ধারা কিন্তু আমি ভাবি একজন বিজ্ঞানী হয়ে তিনি কীভাবে একটি সার্থক উপন্যাস লিখলেন। আমি নিশ্চিত এই বইটির বিস্তার এবং ব্যাপকতার কারণেই বইটি পাঠকদের পরিতৃপ্তি দিতে সক্ষম হবে । ছোটো ছোটো পর্বে হলেও এর ব্যঞ্জনা ব্যাপক । এই লেখিকার লেখায় একটি নিজস্বতা আছে । লেখিকার একাগ্রতা । তাঁর ভাবনার জগৎ, কল্পনা অনেক দীপ্তিময় । এই উপন্যাসের প্রতিটি পর্বের নিপুণ বর্ণনায় প্রতিটি মুহূর্ত যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে । এই বইটির প্রধান চরিত্র "নীরা",এই চরিত্রে রোমাঞ্চের নির্ভুল বর্ণনা আছে। প্রতিটি লাইনে কৌতূহল ও আকর্ষণে ভরপুর। এই লেখিকার শব্দবিন্যাস, শব্দের ব্যবহার, সৌন্দর্য বেশ গভীর। নীরা চরিত্রটি ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। নীরার আকাঙ্ক্ষায় একটি প্রগাঢ় গতি আছে, প্রতিজ্ঞা আছে। নীরা চরিত্রটি বেশ প্রভাবশালী।এই উপন্যাসের প্রতিটি পর্বই জ্যোতিময়, প্রসারিত এবং বৃহৎ হৃদয় নিয়ে পড়লে বইটি অবশ্যই আপনার ভালো লাগবে। জীবন বিস্তারের সাথে সাথে এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে এই লেখিকার। এই বইটিতে কিছু আলৌকিক সৌন্দর্য আছে যার সুবাস নির্দিষ্ট নয় তবে বেশ বিস্তারমুখী। এই উপন্যাসের ফাঁকে ফাঁকে কিছু ইন্দ্রিয় কাঁপানো উক্তি আপনারা পাবেন যা আপনাদের অবশ্যই ব্যাকুল করবে। বইটির নান্দনিক উপলব্ধিতে আমি ভীষণভাবে মুগ্ধ। আশা করছি আপনাদের ও ভালো লাগবে। আমি বইটির পাঠকপ্রিয়তা আশা করছি।