আত্মশুদ্ধির মাধুর্যে নিজেকে বিমোহিত করে আল্লাহপাকের সাথে নিগূঢ় সম্পর্ক রেখে কবি নিজেকে হারিয়েছেন তরিকত, মারেফাত ও হাকিকতের রহস্য উন্মোচনে। আল্লাহর প্রেমে মশগুল থেকে কবি খুঁজেছেন মৃত্যুঞ্জয়ী এক জীবন যেখানে আছে আবে হায়াতের নহর। যে নহবে ডুব দিয়ে কিৰ পেয়েছেন জাগ্রত ঈমানের ছোঁয়া এবং নূরে-হকের সন্ধান। কবিব মনে প্রতিভাত হয়েছে উৎফুল্ল মনের গভীরে দৈন্যতার খেদ রেখে স্বপ্ন ও সাধনার মাঝে নিজেকে ঢেকে মানুষ ধিরে ধিরে এগিয়ে যায় সাধনার অন্তহীন দিগন্তে। কবি অনুভব করেছেন সত্যের বৈতরণীতে নিজেকে সতত রেখে এবং চিরকাল মানবতার গন্ধ মেখে মানুষ ঐশী ভুবনে পৌছে যাবে গোপন পাপ ঢেকে। যৌবনের মধ্যগগনে কবি পেয়েছে বিনম্রতার ছোঁয়া। পূর্ণতার ভরাযৌবনে দর্শন করেছেন অপার সিন্ধু এবং বেদনার অন্তহীন দিগন্তে তিনি পেয়েছেন মানবতার ছোঁয়া।। কখনো বা সবুজ শ্যামল বনষ্পতির ছায়ায় বসে অতীত জীবনের ব্যর্থতার অঙ্ক কষে কবি মিলিয়েছেন প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব। তবু চিরদিন আল্লাহর প্রেমে বিমুদ্ধ থেকে মোহাম্মদের (স.) পথের ধূলিকণা মেখে কবি জান্নাতের পথে হেটেছেন ভালোবাসার অচিন পাখি হয়েا কবি চিরজীবনের জন্য পেয়েছেন ভালোবাসার নীলপদ্ম; ঋদ্ধ হয়েছে কবির জীবন মানবতার দর্পনে এবং অব্যক্ত প্রেম নীল প্রজাপতি হয়ে ধরা দিয়েছে কবির জীবনে। কবি তাঁর হৃদয়ের মাযাবী পরশকে উপস্থাপন করেছেন অনুপম লেখনীর তুলির আঁচড়ে-যা- মননশীল লেখক, গবেষক তথা স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি ও মাদ্রাসা পড়ুয়া সকল ছাত্র ছাত্রীদের সাদরে গ্রহণযোগ্য হবে এমনই প্রত্যাশা। প্রকাশিত গ্রন্থে কোন ভুলক্রটি হলে সকলকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার ও বইয়ের শেষে দেয়া ই-মেইলে কবিকে অবহিত করার অনুরোধ রইলো।