“সনেট এর বিষয়বস্তু নিয়ে অনুসন্ধান করতে যেয়ে ইউরোপীয় এবং ইংরেজী সাহিত্যের কবি সাহিত্যিক সেই সাথে বাংলা সাহিত্যের সনেট রচয়িতাদের জীবনের নানা জানা-অজানা বিষয় তুলে ধরা”— এই গ্রন্থটির বিষয়। এই গ্রন্থে মূলতঃ বা, তাদের জীবনের নানান ঘটনাকে বিশদভাবে ও আকর্ষণীয় ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
যেকোন পুস্তকই হোক না কেন তা একা করা সম্ভব নয়। তাই এই গ্রন্থটি সম্পন্ন করতে অনেকের অবদান রয়েছে। তাদের সহযোগিতা ও আন্তরিক ভালোবাসায় এই গ্রন্থটি সম্পন্ন করতে আমি সক্ষম হয়েছি। তাই যাদের সাহায্যে আমার এই গ্রন্থটি গ্রন্থাকারে পূর্ণতা নিয়ে পরিস্ফুটিত হয়েছে সর্বপ্রথম আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
এমন ধরনের একটি গ্রন্থ লেখায় হাত দেওয়া এবং প্রকাশ করার সাহস জুগিয়েছেন যিনি, তিনি হলেন আমার শ্রদ্ধেয় ড. হায়াৎ মামুদ, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান বাংলা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা, বাংলাদেশ। সেই সাথে স্মরণ করতে হয় ০২/০৪/২০২২ তারিখে তাঁর সাথে বিশেষ সাহিত্য আলোচনার ৩ ঘণ্টা। আমি তাঁকে পরম শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তারপর আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মিসেস সেলিনা খাতুন-কে— আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সঙ্গী এবং পরবর্তীতে আমার স্ত্রী, তিন পুত্র সন্তানের জননী, কোনো এক সংস্থা থেকে “রত্নগর্ভা মা” তে ভূষিত। এই লেখালেখির কাজে সেলিনা খাতুনের সংসারের অনেক অসুবিধা হয় সেটা তাকে মেনে নিতে হয়। এইজন্য আবারও ধন্যবাদ জানাই। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি কাওসারা হাবিব, যিনি বর্তমানে বিভাগীয় প্রধান, বাংলা বিভাগ, হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ঢাকা। তিনি আমার কাজে বিভিন্নভাবে সাহায্য করেছেন। এরপর আমি স্নেহের সাথে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই গ্রন্থ প্রকাশের সাথে জড়িত সর্বকনিষ্ঠ উৎসাহ ও প্রেরণা প্রদানকারী আমার ১৩ বছরের নাতনি রায়া’-কে। যার ভালো নাম ‘নাঈমাহ রাইসা হক’- আইডিয়াল স্কুল মতিঝিলে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। তার নিত্যকারের একটাই প্রশ্ন ছিল, “এখন কাকে নিয়ে লিখছো?” এই প্রশ্নটাই আমার লেখার গতিকে সবসময় গতিময় করে রেখেছিল। এবং পাণ্ডুলিপি শেষও হয় যথাসময়ে। বন্ধুদের মধ্যে উল্লেখ করছি মাসুম সিদ্দীক ও প্রফেসর নুরুল ইসলামের নাম। তারাও নানান বিষয়ে সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা দিয়ে সাহায্য করেছে। তাদেরকেও আমার আন্তরিক ধন্যবাদ।
এখন বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি, কবি ‘শোভিনী সরকার’-কে। তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গীতে বাস করেন। কবির সাথে বিগত বছরগুলির পরিচয়-যোগাযোগ (ভার্চুয়াল) এবং তাঁর রচিত সনেট পাঠ এই পুস্তকটির রূপদানে অনেকটাই সহায়ক হয়। সপ্তর্ষি প্রকাশক শিবু ওঝাকে এবং ছাপা ও পাণ্ডুলিপি থেকে পুস্তকাকারে রূপ দেওয়ার সাথে জড়িত তাদেরকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তাছাড়া এড়ড়মষব, ণড়ঁঞঁনব, ওহঃবৎহবঃ থেকেও আমি অনেক তথ্য, ছবি সংগ্রহ করেছি। সবাইকে আমার অন্তরস্থল থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।