আনজাম মুনীরের জন্ম বাংলা ১৩৭৪ সালের ১ বৈশাখ, ১৯৬৭ সালের ১৪ এপ্রিল, ভোলার চরফ্যাসনের ভদ্রপাড়ায়। সময়টি ছিল বিশ্ব ইতিহাসের গভীর পরিবর্তনের কাল। শীতল যুদ্ধের তীব্রতা, এশিয়ায় নতুন রাষ্ট্রের উত্থান এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০-এর জলোচ্ছ্বাস, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ৭৪-এর দুর্ভিক্ষ মিলিয়ে এক জটিল রাজনৈতিক-সামাজিক বাস্তবতা। এই টালমাটাল সময়েই তাঁর শৈশব ও কৈশোর গড়ে ওঠে সংগ্রাম, বঞ্চনা ও অসমতার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায়।
তিনি বেড়ে ওঠেন এমন এক পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে, যেখানে মুক্তিযুদ্ধ, সামাজিক ন্যায়, সংস্কৃতি ও প্রগতিশীল চিন্তা ছিল দৈনন্দিন জীবনের অংশ। মা বেগম লুৎফুননেসা এবং পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন তাঁর মানবিক ও সাহিত্যিক চেতনায় গভীর প্রভাব রাখেন। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সাংবাদিকতা, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় বহুভাষিক ও বহুসাংস্কৃতিক পরিসরে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর কাব্যচিন্তাকে বিশেষ মাত্রা দিয়েছে।
মুনীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজকল্যাণে এমএমএস ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি একজন উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ এবং রাজনৈতিক-মানবাধিকার সংগঠক। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত অবস্থায় শিক্ষা, জীবিকা ও পরিবেশ বিষয়ে অসংখ্য গবেষণা, মূল্যায়ন ও প্রকাশনায় তিনি সক্রিয় অবদান রেখেছেন। দীর্ঘদিন লিটল ম্যাগাজিন আন্দোলন ও কাব্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ২০২৬ সালের ২১শে বইমেলায় তাঁর চারটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
১৯৮৮ সালে ২১শে সাহিত্য প্রতিযোগিতায় কবিতায় প্রথম পুরস্কার এবং ২০২৪ সালে ভোলা দক্ষিণ প্রেসক্লাব সমাজকর্ম পুরস্কারসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্মাননা তিনি লাভ করেছেন।
আনজাম মুনীরের জন্ম বাংলা ১৩৭৪ সালের ১ বৈশাখ, ১৯৬৭ সালের ১৪ এপ্রিল, ভোলার চরফ্যাশনের ভদ্রপাড়ায়। সময়টি ছিল বিশ্ব ইতিহাসের গভীর পরিবর্তনের কাল। শীতল যুদ্ধের তীব্রতা, এশিয়ায় নতুন রাষ্ট্রের উত্থান এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০-এর জলোচ্ছ্বাস, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ৭৪-এর দুর্ভিক্ষ মিলিয়ে এক জটিল রাজনৈতিক-সামাজিক বাস্তবতা। এই টালমাটাল সময়েই তাঁর শৈশব ও কৈশোর গড়ে ওঠে সংগ্রাম, বঞ্চনা ও অসমতার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায়।
তিনি বেড়ে ওঠেন এমন এক পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে, যেখানে মুক্তিযুদ্ধ, সামাজিক ন্যায়, সংস্কৃতি ও প্রগতিশীল চিন্তা ছিল দৈনন্দিন জীবনের অংশ। মা বেগম লুৎফুননেসা এবং পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন তাঁর মানবিক ও সাহিত্যিক চেতনায় গভীর প্রভাব রাখেন। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সাংবাদিকতা, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় বহুভাষিক ও বহুসাংস্কৃতিক পরিসরে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর কাব্যচিন্তাকে বিশেষ মাত্রা দিয়েছে।
মুনীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজকল্যাণে এমএমএস ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি একজন উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ এবং রাজনৈতিক-মানবাধিকার সংগঠক। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত অবস্থায় শিক্ষা, জীবিকা ও পরিবেশ বিষয়ে অসংখ্য গবেষণা, মূল্যায়ন ও প্রকাশনায় তিনি সক্রিয় অবদান রেখেছেন। দীর্ঘদিন লিটল ম্যাগাজিন আন্দোলন ও কাব্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ২০২৬ সালের অমরএকুশে বইমেলায় তাঁর চারটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
১৯৮৮ সালে একুশে সাহিত্য প্রতিযোগিতায় কবিতায় প্রথম পুরস্কার এবং ২০২৪ সালে ভোলা দক্ষিণ প্রেসক্লাব সমাজকর্ম পুরস্কারসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্মাননা তিনি লাভ করেছেন।