প্রি-অর্ডারের এই পণ্যটি 15 Mar 2026 তারিখে প্রকাশ পেতে পারে বলে প্রকাশনী থেকে জানানো হয়েছে। তবে বিশেষ কোন কারণে প্রকাশিত হওয়ার তারিখ পরিবর্তন হতেও পারে.
আমার ছ্যাগীডারে মারলি ক্যান?... সব খাইয়া ফালাইছস?" ঘরের মেঝে রক্তে ভেসে যাচ্ছে। আর সেই রক্তের মাঝখানে বসে আছে এক অদ্ভুত ছায়ামূর্তি-যার জিভ আর মানুষের মতো নেই। সে শুধু চেনে ক্ষুধা, আর চেনে প্রতিশোধ। আজ রাতের আঁধারে মিটবে তার বহুদিনের পুরোনো এক সাধ!
মেট্রো স্টেশনে কুড়িয়ে পাওয়া একটি সাধারণ কয়েন। অথচ তার জন্যই আজ জীবন বাজি রাখতে হলো সাইদুল সাহেবকে। আনোয়ার সাহেবের লোভ, ক্যাপ পরা রহস্যময় যুবক, আর প্রাচীন রোমান ইতিহাসের এক অভিশপ্ত অধ্যায়-সব মিলেমিশে একাকার এক রাতে। শেষ পর্যন্ত কে পাবে সেই 'ক্যারন'স ওবল'?
"তোমাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত তোমাদের রক্ত দিয়েই করতে হবে।" শতবর্ষী জমিদার বাড়ির দেয়ালে কান পাতলে শোনা যায় এক অভিশপ্ত অতীতের ফিসফিসানি। সেই পচা রক্তের গন্ধ আর অদৃশ্য ছায়ার হাতছানি কি উপেক্ষা করতে পারবে সৌমিক? নাকি তাকেও বরণ করতে হবে পূর্বপুরুষের করুণ পরিণতি?
"আমাদের বাড়িতে এক ধরনের সুইসাইডাল টিউন বাজে। এই সুর আপনার কানে গেলে আপনার সামনে আর কোনো রাস্তা খোলা নেই। পালাতে পারবেন না।" লেখকের বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতাই হয়ে উঠল এক দুঃস্বপ্ন। রহস্যময় সুর, পিশাচের ফিসফিসানি, আর একের পর এক মৃত্যু-সবকিছুর সাক্ষী হয়ে রইল একটি নোটবুক আর এক অভিশপ্ত আয়না।
বুকের উন্মুক্ত হাড়গুলোর ফাঁক দিয়ে কাঁটাচামচটা হৃৎপিন্ডটায় ঢুকিয়ে দিলো। চামচের আগায় লেগে থাকা হৃৎপিণ্ডের অল্প একটু মাংস মুখে ঢুকিয়ে হাতটা পড়ে গেল নিচে। নিজেকে পবিত্র করে, শুদ্ধ করে সে এই পৃথিবী ছেড়েছে।
পাথরের ভেতর উজ্জ্বল আভার কিছু গেঁথে রয়েছে। অন্ধকারে জ্বলছে অদ্ভুত এক প্রাণীর কঙ্কাল। হঠাৎ পায়ের নিচে মাটি কেঁপে উঠল ভীষণভাবে। সেই কঙ্কাল এখন স্পষ্ট এক প্রাণীর গড়নে রূপ নিচ্ছে-যার চোখ দুটো আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে।
হ্যালো, আমার একটা কাজ করে দিতে হবে... আমার রুপোর আঙটিটা ফ্রিজের নিচে আছে।" মৃতরা কি কথা বলতে পারে? নাকি পুরোনো এক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরকাল থেকে ভেসে আসছে তাদের অতৃপ্ত আত্মার আকুতি? সুমিতের জীবনে নেমে আসা এক অদ্ভুত অভিশাপের গল্প।