Close
  • Look inside image 1
  • Look inside image 2
  • Look inside image 3
  • Look inside image 4
  • Look inside image 5
  • Look inside image 6
  • Look inside image 7
  • Look inside image 8
  • Look inside image 9
  • Look inside image 10
  • Look inside image 11
স্বাধীন বাংলার রূপকার শহীদ জিয়াউর রহমান image

স্বাধীন বাংলার রূপকার শহীদ জিয়াউর রহমান (হার্ডকভার)

ফখরুল হাসান

TK. 600 Total: TK. 516
You Saved TK. 84

down-arrow

14

স্বাধীন বাংলার রূপকার শহীদ জিয়াউর রহমান

স্বাধীন বাংলার রূপকার শহীদ জিয়াউর রহমান (হার্ডকভার)

শহীদ জিয়াউর রহমানকে নিবেদিত স্মারকগ্রন্থ

পাঠকেরা একত্রে কিনে থাকেন

এই ই-বুক গুলোও দেখতে পারেন

বইটই

বইটির বিস্তারিত দেখুন

মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, এক জননন্দিত মহান রাষ্ট্রনায়ক স্বাধীন বাংলার রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি বীরউত্তম জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই উপমহাদেশের অন্যতম একজন সৎ, আদর্শবান, দেশপ্রেমিক, রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, রণক্ষেত্রের বীরসেনানী, সেক্টর কমান্ডার এবং জেড ফোর্সের প্রধান জিয়াউর রহমান বীরউত্তমকে মানুষ প্রথম তাকে চিনতে পারে ১৯৭১ সালে ২৬মার্চের প্রথম প্রহরে চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন- ‘আমি মেজর জিয়া বলছি...’।

I Major Zia declaretion of Independence of Bangladesh. রেডিওতে বারবার স্বাধীনতার ঘোষণাটি আসতে থাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বাঙালিরা মুহূর্তেই বাংলাদেশের সর্বত্র লাল সবুজের পতাকা উত্তোলন করে। তার এ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের পক্ষে আর্ন্তজাতিক সহায়তা চান। পরে তিনি এ ঘোষণা কিছুটা সংশোধন করে শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তিনি এখানে উল্লেখ করেন। ‘আওয়ার গ্রেটলিডার শেখ মুজিবুর রহমান ইজ উইথ আস’।

স্বাধীনতার ঘোষণা জাতির জন্য একটি মাইলফলক। একটি দেশের যুদ্ধ একজন করতে পারে না। ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হলো, দেশের জন্য লাখ লাখ মা বোনের ইজ্জত সম্ভ্রমহানি হলো। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হলো স্বাধীনতা। জিয়াউর রহমান জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করে তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হয়েছিলেন। জাতিকে স্বপ্ন দেখাতে পেরেছিলেন। ১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আওয়ামী-বাকশালী একদলীয় শাসন অবসান হবার পর দেশে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল তা পূরণ করে শক্তিশালী করতে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করেছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপি বিগত ৪৫ বছরে বার বার জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে এবং দেশ ও জনগণের সেবায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।

দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের এই প্রিয় দল অতন্ত্র প্রহরীর ভ‚মিকা পালন করেছে। এমনকি ৯ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনেও বিএনপি রাজপথে আপসহীন অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বিএনপি ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালে সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করেছে। এছাড়াও ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বিরোধী দল হিসেবে সংসদের ভেতরে ও বাইরে জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে গঠনমূলক ভ‚মিকা পালন করেছে।

সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র বিকাশ ও লালনসহ দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিএনপির বলিষ্ঠ ভ‚মিকা জনগণ কর্তৃক নন্দিত ও প্রশংসিত।

আন্তর্জাতিক পরিমÐলে ক‚টনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনেও অনবদ্য অবদান ছিল শহীদ জিয়াউর রহমানের। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জানতেন একজন রাজনীতিবিদের প্রধান কাজ কী? এবং কী করতে হয়?

তাদের প্রধান কাজ হলো জনগণের সেবা করা। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে, বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো। জনগণের কল্যাণে নিজের সর্বশক্তি দিয়ে অগ্রসর হয়েছিলেন বলেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে জিয়া এক অবিস্মরণীয় ও অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হয়েছিলেন। শহীদ জিয়া খাল খনন কর্মসূচিতে সরাসরি গণমানুষের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

শহীদ জিয়াউর রহমানের আন্তরিক উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ স্বেচ্ছায় খাল খননে অংশগ্রহণ করে দেশকে স্বনির্ভর করে তুলেছেন। তিনি স্বনির্ভর বাংলাদেশ আন্দোলনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ৬৮ হাজার গ্রামের ‘স্বনির্ভর গ্রাম সরকার প্রতিষ্ঠা’ করেন।

যিনি মানুষের হাতে হাত রেখে সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছিলেন। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন দেশ গড়ার কাজে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আজ নেই। কিন্তু তাঁর স্বপ্নের সেই বাংলাদেশ আছে। আছে তার প্রিয় মানুষেরা। আছে তার প্রশিক্ষিত কর্মীরা। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলেছিলেনÑ ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়’।

‘সুদিনে যারা চরিত্র হারায়নি, দুর্দিনে পালিয়ে যায়নি, সে-ই বিএনপির কর্মী’।

ব্যক্তিকে হত্যা করে আদর্শকে মুছে ফেলা যায় না। শহীদ জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ২৪ জানুয়ারি ২০১৫ বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার এ মৃত্যু মা ও পরিবারের সদস্যদের জন্য অত্যন্ত শোকাবহ। তার মৃত্যুর সংবাদে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল গোটা বাংলাদেশ। শোকে পাথর হয়ে গেল দেশের মানুষ। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে বেগম খালেদা জিয়া ও তার পরিবারে যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এ বয়সে চলে যাওয়া খুবই মর্মান্তিক। আরাফাত রহমানের বয়স খুব বেশি হয়েছিল তা নয়। আরাফাত রহমান কোকো কোনো সক্রিয় রাজনীতিবিদ ছিলেন না। পাবলিক ফোরামে কোনো দিন কথা বলেননি। তিনি খেলাধুলা নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। ক্রিয়া সংগঠক ছিলেন। তার ভদ্রতা, বিনয়, অমায়িক আচরণ ছিল প্রশংসনীয়। শৈশবে বাবাকে হারিয়েছেন, কৈশোরে মা বেগম খালেদা জিয়াকে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে রাজনীতি নিয়ে। পরিণত বয়সে অনেকটা সময় তিনি বিদেশে কাটিয়েছেন নির্বাসিত মানুষের মতো। বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো আরাফাত রহমান কোকো অপরিণত বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। দলমত গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠপুত্র আরাফাত রহমান কোকোর দ্বিতীয় নামাজে জানাজা বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমি জানাজায় গিয়ে দেখি লাশ আসার আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম। লাখো লাখো মানুষ শরিক হয়েছিলেন জানাযায়। আরাফাত রহমান কোকোর প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শোক, ভালোবাসা, সমবেদনা জানিয়েছেন জিয়া পরিবারের সন্তান হিসেবে। এখনো কোটি কোটি মানুষ; জিয়া পরিবারকে ভালো জানে, ভালোবাসে, জিয়া পরিবারের প্রতি গণমানুষের এই অপরিমেয় ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে গণতন্ত্রের আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। সবচেয়ে বড় কথা হলোÑ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনবার দেশ পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম এবং মুসলিম বিশে^ দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। তার জীবন ও কর্ম বাংলাদেশের ইতিহাসেই নয়, বিশ^রাজনীতির নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। তিনি দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ও রাজনীতির নানা বাঁকবদলে যে সাহসী ভ‚মিকা পালন করেছেন তা আজও রাজনৈতিক এবং সাধারণ জনগণের কাছে আলোচনা ও গবেষণার বিষয়।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি নক্ষত্রের নাম। তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি ইনস্টিটিউশন। এক কথায় বিএনপি নেতৃত্বের পুরোধা। বেগম খালেদা জিয়ার বিকল্প শুধুমাত্র তিনি নিজেই। তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীনও সাধারণ মহিলাদের মতো জীবনযাপন করেছেন। জননন্দিত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ এবং দেশের মানুষকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। তিনি যখন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখনও শুধু নিজ দল নয়, বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের প্রতিও তাঁর সহানুভ‚তি ছিল তুলনাহীন।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেন, বিদেশে আমার কোনো ঠিকানা নেই। এই দেশেই আমার শেকড়। তাই বিদেশ যাবার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এ দেশই আমার সব। তাই এ দেশের জনগণের মাঝেই আমি বেঁচে থাকবো। মরতে হলে এ দেশেই মরবো। তিনি একথা বলেছেনÑ আসুন- প্রতিহিংসা, প্রতিশোধ নয় পারষ্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই একটি বাসযোগ্য উন্নত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করি। দেশ-বিদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ ‘গণতন্ত্রের মাতা’ বলে সম্মানিত করেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা, গণতন্ত্রের প্রতি অবিচল নিষ্ঠা, দৃঢ়তা, ব্যক্তিত্ব, দল পরিচালনা সঠিক রাজনৈতিক পদক্ষেপ তাঁকে শুধু জাতীয় রাজনীতিতে স্বচ্ছতা এনে দেয়নি, দিয়েছে আন্তর্জাতিক খ্যাতি ও সম্মান। উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে তাঁর সাফল্য বাংলাদেশকে বিশ^ চিনেছিল ‘ইমার্জিং টাইগার’ হিসেবে। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক কিংবদন্তির নাম।

দেশপ্রেমে উদ্ভুদ্ধ হয়েই তারেক রহমান রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছেন। তার রাষ্ট্রভাবনা, দেশাত্মবোধ, উন্নয়ন স্বপ্নের প্রতিফলন আমরা দেখতে পেয়েছি তার প্রতিটি কর্মে। জনগণের আস্থা ও বিশ^াস অক্ষুণœ রেখে দেশ ও জনগণের সেবায় বিএনপি আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ইতিবাচক ভ‚মিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ। বিএনপির রাজনৈতিক দলের ইতিহাস আলোকপাত করতে গিয়ে লিখতে আগ্রহী হয়ে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যা দেখেছি, যা শুনেছি, যা পড়েছি, অনুসন্ধান করে যা পেয়েছি আমি একজন বিএনপি’র কর্মী হিসেবে যাচাই-বাছাই করে তাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। শহীদ জিয়ার গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং নন্দিত রাজনৈতিক দল। এ গ্রন্থের মাধ্যমে শহীদ জিয়াউর রহমান, গণতন্ত্রের আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবিস্মরণীয় অবদান। শহীদ জিয়ার আদর্শ ও বিএনপি রাজনীতির সাথে যাঁরা জড়িত তাঁদের সকলের প্রতিও আমি গভীরভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রধান রাজনৈতিক দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন। যিনি শীর্ষ নেতৃত্বের আসনে থেকেও জাতির নানাবিধ সমস্যা মোকাবিলা করেছেন। শহীদ জিয়ার আদর্শ ও বিএনপি’র রাজনৈতিক দর্শনের সাথে বাংলার মাটি ও মানুষের জন্য সদা নিবেদিত প্রাণ দেশনায়ক তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রামের একটি সুস্পষ্ট ধারণা পাবেন বলে বিশ^াস। আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ে লাখো লাখো মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বিদায় নিয়েছেন। শহীদ জিয়ার আদর্শ, বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেমকে ধারন করে এগিয়ে যাচ্ছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান। যার মুখে উচ্চারিত ¯েøাগানÑ

‘করবো কাজ, গড়বো দেশ

সবার আগে বাংলাদেশ।’

বিএনপি ও জিয়া পরিবার নিয়ে মনমতো আলোকপাত করতে পারি নাই। তারপরও ন্যূনতম গ্রন্থটুকু প্রকাশ করতে পেরে আমি নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করছি।

আমি নরসিংদীর সন্তান হিসেবে বিশেষভাবে স্মরণ করছিÑ নরসিংদীর আপামর জনতার ভাগ্যোন্নয়ন, স্বাধীনতা ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ব্যক্তি জীবনকে উপেক্ষা করে যাঁরা জনসেবাকে ব্রত হিসেবে নিয়েছেন।

নরসিংদীর বিএনপির রাজনীতির অঙ্গনে নেতৃত্ব সৃষ্টিতে এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আন্দোলনÑ সংগ্রামে অগ্রণী ভ‚মিকা রেখেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম পলাশের কৃতিসন্তান বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আবদুল মোমেন খান, নরসিংদী জেলার শিবপুরের গর্বিত সন্তান বরেণ্য রাজনীতিবিদ জননেতা আবদুল মান্নান ভ‚ঁইয়া, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, রায়পুরার সাবেক এমপি মাইন উদ্দিন ভ‚ঁইয়া, নরসিংদী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সদরের সাবেক এমপি সামসুদ্দিন আহমেদ এছাক, রায়পুরা মাটি ও মানুষের নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল আলী মৃধা, ডাকসুর সাবেক জিএস নরসিংদী সদরের সাবেক এমপি নরসিংদী জেলা বিএনপি’র সভাপতি জননেতা খায়রুল কবির খোকন, মনোহরদী বেলাব গণমানুষের নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সাখায়াত হোসেন বকুল, নরসিংদী জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মনজুর এলাহী।

আমি যাঁদের কাছ থেকে বরাবরই সুপরামর্শ পেয়ে থাকি এবং স্নেহ মমতার পরশে বড় হওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করেনÑ পরম শ্রদ্ধেয় বড়ভাই ড. আবদুল হাই সিদ্দিক, শ্রদ্ধেয় মামা আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এম. মোজাম্মেল হক, সাংবাদিক কলামিষ্ট ও গীতিকার নাহিদ নজরুল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মোহাম্মদ মইনুল হক লিটন। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে প্রতিটি কাজে দিক-নির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়ে ঋণী করেছেন বাংলাভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার সেকান্দার রেমান। নরসিংদী বিএনপি’র রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যাঁদের সাথে হয় আলাপচারিতা, নিয়ে থাকি পরামর্শ, তাদের মধ্যে অন্যতম রায়পুরা গণমানুষের নেতা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, নরসিংদী জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি হারুণ-অর-রশিদ, নরসিংদী সরকারি কলেজের সাবেক জিএস একেএম গোলাম কবির কামাল, ফারুক উদ্দিন ভ‚ঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহসীন হোসাইন বিদ্যুৎ, নরসিংদী জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল আমিন ভ‚ঁইয়া রুহেল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল কাদের ভ‚ঁইয়া জুয়েল, নরসিংদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি খবিরুল ইসলাম বাবুল, নরসিংদী জেলা বিএনপি’র কোষাধ্যক্ষ রাশেদুল হাসান রিন্টু, স্থানীয় সরকার সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর আলম বাদল, রায়পুরা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান খোকন, রায়পুরা উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিএস হাবিবুর রহমান হাবিব, রায়পুরা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক ভঁ‚ইয়া মোহন, রায়পুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: ফরিদ উদ্দিন, রায়পুরা উপজেলা যুবদলের আহŸায়ক আলফাজ উদ্দিন মিঠু, রায়পুরা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেন ভ‚ঁইয়া আলতাফ, ফারকো সিন্ডিকেটের ম্যানেজার কাজী শফিউল্লাহ, আইসিডি ইনচার্জ মো: ফারুক শেখ, বিএনপি’র একজন নিবেদিত প্রাণ আমার পরম শ্রদ্ধেয় শ^শুর এসএম সফিক আহমেদ, সময় ও কথা’র সম্পাদক সাজিদ হাসান সোহেল, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাংবাদিক তুহিন ভ‚ঁইয়া, কাছের অন্যতম একজন মানুষ ময়মনসিংহের হারুন আর রশিদ, বন্ধুবর ইকবাল হোসেন মুরাদ, সিংগাপুর প্রবাসী মো: খলিলুর রহমান, মালয়েশিয়া প্রবাসী মো: আল আমিন মোল্লা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সংগঠক মো: রাসেল খন্দকার, স্নেহের অনুজ ফারিহা নুসরাত প্রাপ্তি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ নূরুল আমিন, উদীয়মান তরুণ ছাত্রনেতা কাজী রায়হান, ইতালি প্রবাসী স্নেহের সাব্বির মোল্লা।

রাজনীতি সামাজিক কার্যক্রমে সহযোগিতা এমনকি আনন্দ ও বেদনার সাথে সর্বাবস্থায় মিশে আছে যাদের হৃদয় আমার সহধর্মিনী সামসুন্নাহার লুনা, পুত্র- ওয়াসিফ আল হাসান প্রহর। লুনার সহযোগিতার হাত বরাবর বাড়িয়ে দিয়েছেন আমার দিকে। প্রহরের পরশ আমাকে নিত্য করে অনুপ্রাণিত। তাদের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এই প্রকাশনাটি শহীদ জিয়াউর রহমানের জীবন ও কর্মের সামগ্রিক মূল্যায়ণ নয়, সে চেষ্টাও এখানে করা হয়নি, সেজন্য আরও শ্রমসাধ্য প্রচেষ্টা ও গবেষণা আবশ্যক। সীমাবদ্ধতা ও তথ্য প্রাপ্তির অভাবে অনিচ্ছাকৃত অনেক মূল্যবান বিষয়াদি অনুল্লেখ রয়ে গেছে। মানুষ হিসেবে ভুলের উর্ধ্বে নই আমি। গ্রন্থটি যতটা সম্ভব নির্ভুল ও মানসম্মত করার জন্য আমি আন্তরিকভাবেই চেষ্টা করেছি, তারপরেও যদি ত্রæটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকে সবাইকে বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। প্রতিভা প্রকাশের প্রকাশক- মঈন মুরসালিন ভাইকে এমন একটি গ্রন্থ প্রকাশের জন্য অভিনন্দন জানাই। স্বাধীন বাংলার রূপকার শহীদ জিয়াউর রহমান-এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গ্রন্থটি প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছি। পরিশেষে শহীদ জিয়াউর রহমান সম্পর্কে বলতে চাই-

তোমার আগমনে দেশ ও জাতির কতো না উচ্ছাস,

তোমার জন্যই রচিত হয়েছে সমুজ্জ্বল ইতিহাস।

মহান আল্লাহপাক আমাদের সকল কাজের সহায় হোন। আমিন।

Title স্বাধীন বাংলার রূপকার শহীদ জিয়াউর রহমান
Author
Publisher
ISBN 978-984-29062-6-8
Edition 1st Published, 2026
Number of Pages 200
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা

Reviews and Ratings

sort icon

Product Q/A

Have a question regarding the product? Ask Us

Show more Question(s)

Customers Also Bought

loading

Similar Category Best Selling Books

prize book-reading point
Superstore
Up To 65% Off

Recently Viewed

cash

Cash on delivery

Pay cash at your doorstep

service

Delivery

All over Bangladesh

return

Happy return

7 days return facility

Video

0 Item(s)

Subtotal:

Customers Also Bought

Are you sure to remove this from bookshelf?

Write a Review

স্বাধীন বাংলার রূপকার শহীদ জিয়াউর রহমান

ফখরুল হাসান

৳ 516 ৳600.0

Please rate this product