দেখতে দেখতে বরাবরের মতোই চলে এলো বিষন্ন প্রকৃতির ঋতু শীতকাল। এই সময়ে তোমাদের অধিকাংশই ছুটি কাটাও, গ্রামে যাও, দাদুবাড়ি যাও, নানুবাড়ি যাও। তাই প্রকৃতি বিষন্ন হলেও তোমাদের সময়টা মোটেও বিষন্ন কাটে না নিশ্চয়ই। সেই সাথে নানান বাহারি পিঠাপুলির মজা তো আছেই। আছে ভাপা পিঠার সুঘ্রাণ। এসব পেয়ে কার না ভালো লাগে, তাই না? শীতে কম্বল মুড়িয়ে শুয়ে থাকা, সকালের রোদ গায়ে মাখা, ভারি শীতের জামাকাপড় পরা এসব তো শীতের আবহমান চিত্র হয়ে উঠেছে।
তোমাদের আনন্দকে আরো বাড়িয়ে তুলতে এবারের ব্যাপন সংখ্যা সাজিয়েছি নানান বৈচিত্র্যময় টপিকের লেখা নিয়ে। এবারের সংখ্যার প্রধানতম ইস্যু হলো নোবেল পুরস্কার। বিজ্ঞানের তিন ক্যাটাগরি-পদার্থ, রসায়ন ও শারিরবিদ্যা/মেডিসিন এ নোবেল ঘোষণা হয়েছে বিগত অক্টোবর মাসে। প্রতিটি টপিকে বিস্তারিত লেখা এসেছে এবার।
আরো এসেছে জীববিজ্ঞানের নানান গুরুত্বপুর্ন ইস্যুতে লেখা। পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের সূচনা নিয়ে জীববিজ্ঞানীদের চিন্তা ও এক্সপেরিমেন্ট উঠে এসেছে সেখানে। এছাড়া, জীবপ্রযুক্তির ব্যাপক উন্নতির এই সময়ে জীবজগৎ তথা প্রকৃতিকে সম্পাদনা করার ব্যাপারে পুনঃমূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অস্তিত্বের সাথেই এই প্রশ্ন জড়িত। তাই এই ব্যাপারেও এসেছে ভাবান্তরিত নিবন্ধ।
পদার্থবিদ্যার অন্যতম অংশ জ্যোতির্বিদ্যা নিয়ে লেখা হয়েছে একাধিক। দ্যা হাবল টেনশন, এইচ আর ডায়াগ্রাম এসব লেখা তোমাকে হতাশ করবে না।
সুপারকম্পিউটারের পরিচিতিমূলক লেখার পাশাপাশি সাই-ফাই হিসেবে পাবে সমান্তরাল সংকেত। সর্বশেষ তবে গুরুত্বপূর্ণ, বিজ্ঞানের এমন জয়জয়কার সময়ে খোদ বিজ্ঞানের আত্মত্মসমালোচনার ব্যাপার আছে। সেসকল বাস্তবতা, প্রশ্ন ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লেখা হয়েছে ল্যাবরেটরির বাইরের দুনিয়া। তোমাদের ছোট্ট মনে এই ধরনের লেখা একটু জটিল হলেও মনে রাখা দরকার যে, বিজ্ঞান আমাদের কাজের জিনিস বটে, তবে তা যদি হয় সীমার মধ্যে।
এসব ছাড়াও কুইজ, সুডোকু এসব তো আছেই। তোমাদের সময়টা ভাল কাটুক। প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট সব ধরনের বিপদ আপদ থেকে মুক্ত থাকার দোয়া করো।
বিজ্ঞানের সৌরভ, তব ব্যাপিত হোক।
Title
ব্যাপন কিশোর বিজ্ঞান সাময়িকী (নভেম্বর-ডিসেম্বর ২০২৫)