জনাব সিরাজুল আলম খানের মতে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা হলো: ‘‘ÔÔThe enemy has struck us. Hit them back. Victory is ours, Insha Allah. Joy Bangla. (শত্রুরা আমাদের আঘাত করেছে। আপনারা পাল্টা আঘাত করুন। বিজয় আমাদের হবেই। জয়বাংলা। ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’-তে নিচের কথাগুলোকে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা হিসেবে দাবি করা হয়েছে: ``This may be my last message, from to-day Bangladesh is independent. I call upon the people of Bangladesh whereever you might be and with whatever you have, to resist the army of occupation to the last. Your fight must be onuntil the last soldier of the Pakistan occupation army is expelled form the soil of Bangladesh and final victory is achieved.’’ কালুরঘাটে অবস্থিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রদত্ত জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা: I, Major Zia, do hereby declare the Independence of Bangladesh.
ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরাগান্ধী বলেছেনÔ....The cry for Independence (of Bangladesh) arose after Sheikh Mujib was arrested and not before. He (Mujib) himself, so far as I know has not ask for Independence even now...
স্বাধীনতার দাবি ওঠে (বাংলাদেশের) শেখ মুজিব গ্রেফতার হওয়ার পর, তার আগে নয়। আমি যতদূর জানি আজো পর্যন্ত শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।’ আসলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা কোনটি এবং কোনটি নয়Ñ সে প্রশ্নের জবাব দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে ‘জিয়াউর রহমান ও স্বাধীনতার ঘোষণা: একটি ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ গ্রন্থে। লেখকের বিশ্লেষণধর্মী সাবলীল বর্ণনার ভিতর দিয়ে পাঠক এ সকল প্রশ্নে জবাব পাবেন বলে আশা করা যায়।
Title
জিয়াউর রহমান ও স্বাধীনতার ঘোষণা একটি ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ
ষাটের দশকের গোড়ার দিকের কোন এক সময়ে সীমান্তের ওপারে সেনডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করার পর ভিটেছাড়া হয়ে বাবার হাত ধরে চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে যশোরের বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামে থিতু হন। বাজুয়াডাঙ্গা বেসরকারী প্রাইমারি স্কুল থেকে প্রাথমিক বৃত্তি নিয়ে কুয়াদা হাই স্কুলে ভর্তি। অষ্টম শ্রেণিতে জুনিয়র বৃত্তি পেয়ে ১৯৮২ সালে মানবিক বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে এস.এস.সি. পাশ ও যশোর সরকারি মধুসূদন কলেজে ভর্তি এবারো মানবিক বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি হন। "বিয়ানের কাজ চাচা আমার করে ভাইটেল বেলা" ধরণে ১৯৮৮ সালের মাস্টার্স পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯২ সালে। চার বছর সেশন জ্যামে পিছিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে মন-মনন ও কর্মেও পিছিয়ে পড়তে হয়েছে। যথারীতি চলার পথে বহুবিধ "চাচীজানের ঠেলা" খেতে খেতে এখন কর্মজী- বনের শেষ পর্যায়ে উপনীত। তিনি বর্তমানে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে মধ্যম সারির কর্মচারী হিসেবে কাজ করছেন। স্ত্রী ও দুই কন্যা নিয়ে তার পরিবার।