Close
  • Look inside image 1
  • Look inside image 2
  • Look inside image 3
  • Look inside image 4
  • Look inside image 5
  • Look inside image 6
  • Look inside image 7
  • Look inside image 8
  • Look inside image 9
  • Look inside image 10
  • Look inside image 11
  • Look inside image 12
  • Look inside image 13
  • Look inside image 14
  • Look inside image 15
  • Look inside image 16
  • Look inside image 17
  • Look inside image 18
  • Look inside image 19
মুবাশশিরীন - প্রথম খণ্ড image

মুবাশশিরীন - প্রথম খণ্ড (হার্ডকভার)

জিম তানভীর

Total: TK. 250

down-arrow
মুবাশশিরীন - প্রথম খণ্ড

মুবাশশিরীন - প্রথম খণ্ড (হার্ডকভার)

2 Ratings  |  1 Review

TK. 250
কমিয়ে দেখুন
tag_icon

আকর্ষণীয় চাবির রিং ফ্রি! এক নজরে কুরআন নিলেই চাবির রিং পাচ্ছেন KEYRING কোড ব্যবহারে!

আরো দেখুন
ঈদের খুশি জমুক বেশী! image

পাঠকেরা একত্রে কিনে থাকেন

এই ই-বুক গুলোও দেখতে পারেন

বইটই

বইটির বিস্তারিত দেখুন

নবীদের জীবন নতুন কোনো কাহিনি নয়। অতীতে অসংখ্যবার নবীদের জীবন নিয়ে বই লেখা হয়েছে। কিন্তু কিছু কাহিনি আছে যা বারবার লিখতে হয়, নতুন করে লিখতে হয়। কারণ সময়ের সাথে মানুষের ভাষা বদলায়, শব্দের অর্থ বদলায়। মানুষের জগৎটা স্থান-কালে আবদ্ধ, তার শব্দের ভান্ডার সীমিত, তার ভাবনাগুলো কোনো না কোনোভাবে পক্ষপাতের দোষে দুষ্ট। এই সীমাবদ্ধতাগুলো নিয়ে যখন হাজার বছর আগের কোনো বাস্তবতাকে শত বছর আগের একটি বই পড়ে বুঝতে চায়, তখন অবধারিতভাবে কিছু অর্থ হারিয়ে যায়, কিছু কথা বদলে যায়। কিছু কথা পাঠক ভুল বোঝে কিংবা বোঝেই না। আর তখন ঘটনাগুলো হয়ে যায় ‘গল্প’, যা মনে থাকে কিন্তু ছাপ রাখে না।


নবীদের জীবন থেকে পাওয়া ঘটনা নির্দিষ্ট কোনো সময়ে, নির্দিষ্ট কোনো স্থানে ঘটলেও এর শিক্ষাগুলো সময় কিংবা স্থান দ্বারা আবদ্ধ নয়, আর এ কারণেই আল্লাহ তাআলা কুরআনে ঘটনাগুলো আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তাই এই বিষয় নিয়ে পূর্বেকার লেখাগুলোর আলোকে প্রত্যেক যুগে নতুনভাবে বই লেখা উচিত, যেন অতীতের এই ঘটনাগুলোর প্রাসঙ্গিকতা আমাদের জামানাতেও আমরা ধরে রাখতে পারি। সে চিন্তা থেকে এই বইটি প্রকাশ করা।


নবীদের কাহিনিগুলো আত্মস্থ করলে একজন মুসলিমের স্বাতন্ত্র্য ওয়ার্ল্ডভিউ তৈরি হয়, যার দ্বারা সে সত্য-মিথ্যা চিনতে পারে। শয়তান কখনো মানুষের কাছে এসে বলে না, ‘আমি তোমার সর্বনাশ করতে চাই।’ সে বলবে, ‘আমি তোমার জন্য কল্যাণ চাই, মুক্তি চাই, অধিকার চাই, সমতা চাই, প্রগতি চাই।’ এই ‘কল্যাণ’, ‘স্বাধীনতা’, ‘অধিকার’, ‘সমতা’ আর ‘প্রগতি’—এসবের সঠিক অর্থ উদ্‌ঘাটন তখনই আমরা করতে পারব যখন ইসলামের ওয়ার্ল্ডভিউ দিয়ে আমরা পৃথিবীকে দেখব, আবিষ্কার করব এই কথাগুলো অতীতে কেউ না কেউ বলেছে—ইবলিস বলেছে, নুহ, হুদ, সালেহ, শুআইব আলাইহিমুসসালাম—তাদের সময়কার ক্ষমতাসীনরা বলেছে, নমরুদ আর ফিরআউন বলেছে, আর এখন বলছে পশ্চিমা সেক্যুলারশক্তি। জাহেলি সমাজের আহ্বান একটাই—আল্লাহকে বাদ দিয়ে মানুষের গোলামি করা—এটাকে তারা প্রতিষ্ঠা করতে চায় একেক যুগে একেক ভাষায়। এ কারণে জাহেলিয়াতের ভাষা ও বয়ান বোঝার জন্য নবীদের কাহিনি জানা জরুরি।


নবীদের জীবন সম্পর্কে জ্ঞান একজন মুসলিমের আল্লাহর ওপরে ঈমান বৃদ্ধি করবে। ইসলাম সম্পর্কে আমরা অনেকেই অনেক কিছু জানি-বুঝি, কিন্তু সঠিক অবস্থান নিতে পারি না। সামান্য চাপে ভেঙে পড়ি, বুঝেও বুঝি না, জানা উত্তরে ভুল করি। আসলে কিছু সময় আছে যখন তথ্য-উপাত্ত, যুক্তি, ক্ষমতা—কিছুই কাজে আসে না। যখন এসবের কিছুই কাজ করে না, তখন কাজে আসে ঈমান। অনেক জেনেও কেউ ঈমানহারা হয়, কম জেনেও অনেকে ঈমানের ওপরে টিকে থাকে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনে এই কাহিনিগুলো বলেছেন যেন আমাদের অন্তরগুলোতে ঈমান মজবুতভাবে গেড়ে বসে, যেভাবে করে উর্বর মাটিতে বেড়ে ওঠা বৃক্ষ দমকা হাওয়ায় ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে, কখনো ঝরে যায় না। রাসূলুল্লাহ s ইসলামের ওপর অন্তরের স্থিতি চেয়ে একটি দুআ আমাদের শিখিয়েছেন, যে দুআটি তিনি খুব বেশি বেশি পড়তেন,

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلٰى دِيْنِكَ

‘হে অন্তরসমূহের নিয়ন্ত্রণকারী, আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের ওপর সুদৃঢ় রেখো।’ (সুনানে তিরমিযি: ২১৪০)


নবীদের জীবন একজন মুসলিমকে দৃঢ়তা দেয়, আশা জোগায়। আমরা এমন একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, যেখানে আদর্শিক হওয়াটা বাড়াবাড়ি, স্বপ্ন দেখাটা পাগলামি। প্রচণ্ড জুলুমের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন অতিবাহিত করার একটি সমস্যা হলো মানুষ সে জুলুমকে চির-বাস্তবতা হিসেবে মেনে নিয়ে কর্মপরিকল্পনা সাজায়। সে ধরেই নেয়, তার জীবনে ইসলামের পতাকাকে সে কোনো দিন উড়তে দেখবে না। কিন্তু নবীদের জীবন থেকে আমরা দেখি, আল্লাহ যখন চান বাস্তবতা বদলে যেতে সময় লাগে না। অতীত এই কথার সাক্ষী, বর্তমানও এই কথার সাক্ষী। নিজেদের দুর্বল ভাবার কিছু নেই, নিজেদের দ্বীন নিয়ে হীনম্মন্যতার কিছু নেই।


বইটি দুই খণ্ডের হবে, ইনশাআল্লাহ। প্রথম খণ্ডে আলোচনা করা হয়েছে আদম থেকে লুতের আলাইহিমুসসালাম জীবন। ইতঃপূর্বে রেইনড্রপ্স মিডিয়া থেকে ‘পথিকৃৎদের পদচিহ্ন: নবীদের জীবন’ শিরোনামে একটি অডিও লেকচারে নবীদের জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই বইটি সেই লেকচার সিরিজের ওপর ভিত্তি করে লেখা, অবিকল লিখিত রূপ নয়। সময়ের প্রয়োজনে কিছু সংযোজন-বিয়োজন করে বই আকারে প্রকাশ করা হচ্ছে। এই বইকে বইয়ের রূপ দিতে যাদের আল্লাহ বেছে নিয়েছেন, দুআ করি তাদের প্রত্যেককে তিনি কবুল করবেন।

Title মুবাশশিরীন - প্রথম খণ্ড
Author
Publisher
ISBN 9789842939402
Edition 1st Published, 2026
Number of Pages 236
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা

Reviews and Ratings

4.5

2 Ratings and 1 Review

sort icon

Product Q/A

Have a question regarding the product? Ask Us

Show more Question(s)

Customers Also Bought

loading

Similar Category Best Selling Books

prize book-reading point
Superstore
Up To 65% Off

Recently Viewed

cash

Cash on delivery

Pay cash at your doorstep

service

Delivery

All over Bangladesh

return

Happy return

7 days return facility

Video

0 Item(s)

Subtotal:

Customers Also Bought

Are you sure to remove this from bookshelf?

Write a Review

মুবাশশিরীন - প্রথম খণ্ড

জিম তানভীর

৳ 250 ৳250.0

Please rate this product