ইসলাম এমন এক অর্থব্যবস্থা যা বিদ্যমান অন্যান্য ব্যবস্থাগুলো থেকে আলাদা। ইসলামি অর্থব্যবস্থার মূল উৎস শরিয়াহ এবং এই শরিয়াকে কেন্দ্র করেই মূলত অর্থব্যবস্থা পরিচালিত হয়। যেখানে এই অর্থব্যবস্থার উদ্দেশ্য হলো মানবকল্যাণ। ফলে বর্তমান সময়ে বিশ্ব—অর্থনীতিতে অবাধ প্রতিযোগিতা বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও তুলনামূলকভাবে ব্যাখ্যা—বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা যায় ইসলামি অর্থব্যবস্থা সর্বোত্তম পন্থা। কেননা ইসলামি অর্থনীতির বাস্তবায়নে—দরিদ্র, অসহায়, ক্রীতদাস, বেকারত্ব, বৈষম্য, শ্রম—শোষণ, অপচয়—অপব্যয়, সুদ—ঘুষ, মজুদদারী, কালোবাজারী, অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন, চুরি—ডাকাতি, ব্যক্তি—মালিকানা, আয়—বৈষম্য, তীব্র প্রতিযোগিতা, মালিক—শ্রমিক বিরোধ, অসম বণ্টন, বিশেষ সম্প্রদায় বা অমুসলিমদের নিরাপত্তাহীনতা, কার্পণ্য, অসৎ কর্ম, মৌলিক অধিকারের অনিশ্চয়তা, শ্রমের অমর্যাদা, দুর্নীতি, সম্পদের অপব্যবহার, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, অতি মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রাসংকোচন, একচেটিয়া কারবারি, অর্থনীতির বন্ধ্যাবস্থা, বাণিজ্য চক্র, শ্রমিক নিপীড়ন, অপরিকল্পিত উৎপাদন, ব্যক্তি স্বাধীনতার বিলুপ্তি, কর্মস্পৃহা লোপ, সৃজনশীল চেতনা হ্রাস, ত্রুটিপূর্ণ মূল্য ব্যবস্থা, আমলাতান্ত্রিক মনোভাব প্রভৃতি উল্লেখ থাকে না। ইসলামে উক্ত বিষয়গুলোকে সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
যার ফলে বলা যায় যে, ইসলামি অর্থনীতি প্রচলিত অর্থব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি কুরআন ও সুন্নাহর বিধি—বিধান অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছে। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ধরনের অর্থব্যবস্থা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে।
শরীফ নাফে আচ্ছাবের এর জন্ম ১৯৮৫ সালের ০৮ মে, ঢাকার মাতুলালয়ে।পৈত্রিক নিবাস নেত্রকোনায়।যদিও শৈশব-কৈশোরে বেড়ে উঠেছেন ময়মনসিংহে। অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে জাতীয় দৈনিকে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে একটি বেসরকারি ব্যাংকে যোগদান করেন।তিনি একইসাথে ছড়া,কবিতা,ছোট গল্প, উপন্যাস,প্রবন্ধ ও অর্থনীতির মতো বিষয় নিয়েও লিখেন। পাশাপাশি একজন সফল অনুবাদ হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছেন।লেখালেখির সুবাদে ছাত্রজীবন থেকেই স্থানীয়,জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।যদিও পেশায় তিনি ব্যাংকার সেইসাথে একজন গল্পেরও মানুষ। আর সেজন্য সবকিছুর পরও তার কাছে লেখালেখিই প্রাদান্য পেয়েছে।