১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
মানুষ যেমন সৃষ্টির পথ খুলেছে, তেমনি সবকিছুতে সম্পর্কের গভীর অনুসন্ধানও চালিয়েছে। ... মাহমুদ রেজা চৌধুরী এই বইয়ের মাধ্যমে সম্পর্কের এক অভূতপূর্ব জগৎ উন্মোচন করেছেন। সম্পর্কের বৈচিত্র্য ও মানুষের অন্তর্গত সুর আমরা ছোটবেলা থেকে শুনেছি, আত্মার সম্পর্ক, রক্তের সম্পর্ক, সামাজিক সম্পর্ক, মানবিক সম্পর্ক, শিকড়ের সম্পর্ক ইত্যাদি। কিন্তু সম্পর্কের ভেতরে এত স্তর, এত বৈচিত্র্য, এত মায়াজাল, এত দ্বন্দ্ব, এত অব্যক্ততা থাকতে পারে, তা আমি রেজার পাণ্ডুলিপি পড়ার আগে জানতামই না। তিনি সম্পর্কের মধুরতা, বিষণ্নতা, স্বার্থপরতা, আধ্যাত্মিকতা, হিংস্রতা, নিঃসঙ্গতা, টানাপোড়েন — সবকিছুকে এমন সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে, এমন নিবিড় পর্যবেক্ষণে লিখেছেন যে এই পাণ্ডুলিপি সত্যিই এক গভীর স্বর্ণখনি। যেন অন্ধকারের গভীরে সোনার আকর খুঁজে আনা হয়েছে। বন্ধু কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ভাষায়, রেজা একজন প্রকৃত ‘শব্দশ্রমিক’। আর আমার ভাষায়, শব্দশিল্পী। বইটি পড়তে পড়তে বারবার মনে পড়েছে জীবনানন্দ দাশের সেই অমর পঙক্তি — ‘কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে চায়?’ রেজা যেন মানবসভ্যতার হৃদয় খুঁড়ে তাদের আনন্দ-বেদনা, প্রেম-বিরহ, যুদ্ধ-শান্তি, প্রতিরাগ-প্রতিহিংসা সবটুকুই তুলে এনেছেন। ... প্রতিটি অধ্যায় সম্পর্কের ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা, অভিজ্ঞতা ও উপাদান নিয়ে সাজানো। ... এই বইটি কেবল সম্পর্ক নিয়ে লেখা একটি গ্রন্থ নয় — এটি মানুষের আত্মার অন্তর্গত নকশা, সমাজের অভ্যন্তরীণ রসায়ন, রাষ্ট্রের চরিত্র বিশ্লেষণ এবং মানবসভ্যতার নীতিক্ষয় ও নীতিপুনর্গঠনের দলিল। ... পাঠক কখনো ব্যক্তিগত জীবন, কখনো সমাজ, কখনো রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির দোলাচলে প্রবেশ করবেন। ... সবকিছুর এমন বিশ্লেষণ আছে যে তা মনোবিজ্ঞানের পাঠককেও বিস্মিত করবে।
জনন্ম ১৯৫৭ সালে বরিশালে। মা আক্তারী বেগম ও বাবা হোসেন রেজা চৌধুরী এর একমাত্র পুত্র সন্তান মাহমুদ রেজা চৌধুরী ১৯৮১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। ছাত্র রাজনীতি ও জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ না করলেও তিনি সমাজ ও রাজনীতি বিষয়েই প্রধানত লেখেন। ১৯৮৬ সাল থেকে শুরু করে প্রায় দু'যুগেরও বেশী সময় ধরে রাজনীতি বিশ্লেষক, দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জনাব চৌধুরী দেশে-বিদেশের সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুপরিচিত পত্র-পত্রিকায় লিখে আসছেন। তার লেখার প্রেক্ষাপট আমাদের ক্ষয়িষ্ণু মূল্যবোধ, রাজনৈতিক সচেতনতা, সমাজতাত্বিক দৃষ্টিকোণের উপস্থাপন এবং বিশ্লেষণ। লেখকের কাথায় লেখালেখি হচ্ছে "নিজের প্রতি তার সামাজিক দায়িত্ববোধ চর্চার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা"। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালিন তিনি ডাক্স বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় এস. এম হলের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং শ্রেষ্ঠ বক্তার সম্মানও অর্জন করেন। এক সময়ে জাতীয় বেতারের সংবাদ পাঠক ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় খ্যাতি অর্জনকারী জনাব চৌধুরী ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে "মুক্ত ফোরাম" নামে একটি সামাজিক থিংক ট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ভয়েস অব আমেরিকার একজন অনিয়মিত কন্ট্রিবিউটর। পেশাগত জীবনে তিনি সুদীর্ঘকাল আন্তর্জাতিক ও বহুজাতিক শিপিং কর্পোরেশনে সেলস্ মার্কেটিং এবং মানব সম্পদ উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।