সাহিত্য মানব মনের আয়না। কবিতা সাহিত্যের একটা শাখা। একটি কবিতা যত ছোটই হোক, তা একটি মহাবিশ্বের দরজা খুলে দিতে পারে। কবিতা হচ্ছে বুকের গভীরে জমে থাকা মুক্তোদানা। কবিরা তা কলম আর কালির মাধ্যমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেন।
একটি ভালো কবিতা মানব মনকে শুদ্ধতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়। একটি কবিতার মাধ্যমে পাল্টে দেওয়া যায় একটি সমাজ, একটি বিশ্ব। প্রত্যেক কবি-লেখকদের নিকটই তাদের লেখা সাহিত্য সন্তানের মতো। কবিরা অতি যত্নে সেই সন্তানকে লালন-পালন করেন।
‘অনুভবের রঙধনু’ গ্রন্থটি কবি দীপ্ত হৃদ মতিনের একক কাব্যগ্রন্থ। প্রত্যেকটি কবিতা তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল ভাষায় রচনা করেছেন।
‘অনুভবের রঙধনু’ মাত্র দুটি শব্দ। যে শব্দ দুটি মানুষের মনের অভ্যন্তরে বিভিন্ন রঙয়ের ঢেউয়ের সৃষ্টি করে। যার কোমল আলো আমাদের কখনো স্নিগ্ধ করে আবার কখনো স্মৃতির সাগরে ভাসিয়ে নিয়ে বেদনাতুর পরিবেশের সৃষ্টি করে। কবিমনের অন্তর আকাশে সাঁতার কাটতে থাকা এসব রঙের ঢেউ তাকে গভীর অনুভূতির দ্বারা আবেগে আপ্লুত করে। স্মৃতি রোমন্থন, ভালো লাগা, আবেগ-অনুভূতি, ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশই মূলত এ কাব্যগ্রন্থের কবিতার মূল উপজীব্য।
কিছু কিছু যন্ত্রণায়িত স্মৃতি কবি দীপ্ত হৃদ মতিনকে কখনো নিশ্চিন্তে ঘুমোতে দেয় না। যেন সারা ঘরময় সেই স্মৃতিগুলো খেলা করে রঙধনুরই মতো।