রামের সুমতি
রামলাল গ্রামের দুরন্ত কিশোর। সব ব্যাপারেই তার দুষ্টুমির কারণে গ্রামের সবাই ভীত থাকে। তার দুরন্তপনার একান্ত সহযোগী ভোলা। অপরদিকে তার বৈমাত্রেয় বড় ভাই শ্যামলাল শান্ত প্রকৃতির। তার স্ত্রী নারায়ণীর হাতে আড়াই বছরের রামকে তুলে দিয়ে মারা যান রামের মা। সেই থেকে নারায়ণী রামকে মানুষ করেছে। তাই রামের দুরন্তপনা ও বদমেজাজ ভৃত্য ভোলা, নেত্যকালী এমন কি বড় ভাই শ্যামলালের উপর খাটালেও বউদিকে সে মান্য করে। তাদের সুখের সংসারে অশান্তির সূত্রপাত ঘটে নারায়ণীর মা দিগম্বরী আর ছোটোবোন সুরধুনীর আগমনে। একদিন রাম পেয়ারা গাছে উঠে পেয়ারা খাওয়ার সময় দিগম্বরী তাকে কটাক্ষ করলে রাম তাকে উদ্দেশ্য করে পেয়ারা ছুড়ে মারে যা নারায়ণীর মাথায় লাগে। এই ঘটনার পর শ্যামলাল দুই ভাইয়ের সম্পত্তি ভাগ করে ও নারায়ণীকে রামের সাথে কথা বলতে নিষেধ করে দেয়। আপনজন শূন্যতায় সে তার ভুলগুলো বুঝতে পারে ও তার সুমতি হয়।
Report incorrect information