১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু করি ২০০৫ সালে। তখন আমি একেবারে নতুন, সাধারণ বিনিয়োগকারীর মতোই ছিলাম। তবে আমার মাথায় একটা বিশ্বাস সবসময় ছিল—যে কাজই করি, সেটা যেন আল্লাহর ইবাদতের মতো করি, পুরো মনোযোগ দিয়ে করি।
তাই আমি সবসময় ভেবেছি, শেয়ারবাজারে লেনদেনটা আমার ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়। বরং এটা আমার ওপর দেওয়া দায়িত্ব, যেটা আমাকে সঠিকভাবে পালন করতে হবে। এই বিশ্বাস আর অনুপ্রেরণাই আমাকে ভুল থেকে শিখতে সাহায্য করেছে।
২০০৯ সালে আমি আমার অভিজ্ঞতা অন্যদের সাথে ভাগাভাগি করার জন্য “শেয়ার জিনিয়াস” নামে একটা ব্লগ খুলি। সাধারণ মানুষ ব্লগ পড়তে শুরু করলে, অনেকে সেটাকে প্রশংসা করতে থাকে। এতে আমি ভীষণ অনুপ্রেরণা পাই। বুঝতেই পারিনি কত দ্রুত আমার ব্লগ আর ইউটিউব চ্যানেলের অনুসারীর সংখ্যা বেড়ে ৭১ হাজারে পৌঁছে গেছে।
কিন্তু ২০১৪ সালে ভারতের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড (SEBI) নতুন নিয়ম চালু করে। নিয়ম অনুযায়ী, গবেষণা বিশ্লেষক হিসেবে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কেউ শেয়ারবাজার নিয়ে ব্লগ বা ইউটিউবে টিপস দিতে পারবে না। তাই সরকারের নিয়ম মেনে আমাকে আমার ব্লগ আর ইউটিউব চ্যানেল বন্ধ করার ঘোষণা দিতে হয়।
অনেক পাঠক আমাকে ইমেইল করে বললেন, আমি যেন পরীক্ষা দিয়ে রিসার্চ অ্যানালিস্ট হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করি। তাহলে ব্লগ-চ্যানেল বন্ধ করতে হতো না, আর মানুষও বিনামূল্যে পাওয়া আমার টিপস থেকে উপকার পেত।
এরপর আমি একজন সাধারণ বিনিয়োগকারী থেকে রেজিস্টার্ড রিসার্চ অ্যানালিস্ট হয়ে উঠি। এখন আমি মনে করি, এই বই লিখে আমার দায়িত্ব হলো—পাঠকদের এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া যাতে কেউ শেয়ারবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
এই বই পড়ার আগে একটা বিষয় মনে রাখবেন—বিনিয়োগ (investing) আর লেনদেন/ট্রেডিং (trading) দুইটা আলাদা বিষয়। এই বইটা কেবল ট্রেডিং থেকে কিভাবে আয় করা যায়, সে বিষয় নিয়ে লেখা।