'তোমাদের মধ্যে সেই আমার সঙ্গে প্রথমে সাক্ষাত লাভ করবে যার হাত লম্বা। হযরত আয়েশা রাযি. বলেন, এ কথা শুনে রাসুল সা.-এর স্ত্রীগণ নিজেদের হাত মাপা শুরু করলেন। অথচ হযরত যয়নাব রাযি.-এর হাত ছিল সবচে' লম্বা। কেননা তিনি নিজ হাতে উপার্জন করতেন এবং আল্লাহর পথে খরচ করতেন। সায়্যিদা হযরত আয়েশা রাযি. বলেন, নবী কারীম সা.-এর পর যখন সর্বপ্রথম হযরত যয়নাব রাযি.-এর ইন্তিকাল হয় তখন হাত লম্বা হওয়ার মতলব ও উদ্দেশ্য আমাদের বুঝে এসেছে। অর্থাৎ লম্বা হাত দ্বারা উদ্দেশ্য, বেশি বেশি দান-সদকা করা।'
'যার হাত লম্বা' একথা শোনার পর স্ত্রীদের মধ্যে গোপনে গোপনে হাত মাপামাপি শুরু হয়ে যায়। তাতে দেখা গেল একজনের হাত অন্যদের তুলনায় একটু লম্বা। সবাই তাকে নিয়ে ঈর্ষা করল। এরপর যখন যয়নব রাযি. ইন্তেকাল করেন, তখন সবাই বুঝতে পারলেন, হাত লম্বা হওয়ার ইশারাটি রূপক ছিল। যার হাত প্রশন্ত মানে যে সবাইকে দান করে। প্রার্থীর দিকে সবসময় প্রসারিত থাকে। যে কখনো নিজের হাত গুটিয়ে নেয় না। যয়নব রাযি. প্রচুর দান সাদাকা করতেন।
৩. সায়্যিদা আসমা বিনতে ইয়াযিদ রাযি.
ইনি সেই বিখ্যাত সাহাবিয়া; যিনি 'খতীবাতুন নিসা' )خَطِيبَةُ النِّسَاء( উপাধিতে ভূষিত ছিলেন।'সাবিকুনাল আওওয়ালুন"-এর অন্তর্ভুক্ত-যাদের ব্যাপারে বিশেষ করে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করে দিয়েছেন, আল্লাহ তাদের ব্যাপারে সন্তুষ্ট, তারাও আল্লাহর ওপর সন্তুষ্ট।