বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর থেকে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম ও এনজিওদের বিকাশের ক্ষেত্রে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যায়ে স্থাপিত একসময়কার বিভিন্ন সমবায় সমিতি অগ্রদূতের ভুমিকা পালন করেছে। সেসব সমিতির অথবা স্থানীয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সামাজিক উদ্যোগসমূহের অনেকগুলি বর্তমানে টিকে নেই, আবার কেউ কেউ এখনও চলমান আছে। তাদের সেই সময়ের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, কর্মপদ্ধতি, টিকে থাকার সংগ্রাম এবং এগিয়ে চলার অভিজ্ঞতা বর্তমানে বেসরকারি উন্নয়নকর্মীদের জন্য মানসসম্পদ। অথচ ডকুমেন্টেশনের অভাবে তা হারিয়ে যাচ্ছে এবং আরও হারিয়ে যাবে। এরফলে এখনকার বেসরকারি উন্নয়নক্ষেত্র ভবিষ্যতে দিকভ্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে। আমার ধারণা তাদের এই অভিজ্ঞতার সম্পদ সংরক্ষণ আমাদের প্রয়োজন ও দায়িত্ব দুই ই।
যশপুর অগ্রগামী সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লি.-এর অভিজ্ঞতাটি যেমন শিক্ষণীয় তেমনি দিকনির্দেশক। তাদের অনেক চর্চা ও কর্মপদ্ধতি এখন চলমান নেই, কিন্তু কিছু কিছু হয়তো আবার নতুনভাবে প্রয়োগ করে দেখা যেতে পারে। বৃহৎ সামাজিক মুক্তির বীজ তার কোনোটি থাকতে পারে যদি নতুন পরিস্থিতিতে নতুনভাবে তা প্রয়োগ করা যায়। ‘সমবায়ের মাধ্যমে যশপুর গ্রামের উন্নয়ন’ বইটি সে কারণে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। আরও আগ্রহোদ্দীপক দিকটি হলো এ সমিতির কর্মকাণ্ডের সঙ্গে উন্নয়নক্ষেত্রের শুরুর দিকের কয়েকজন ব্যক্তিত্বের ও তাদের উন্নয়ন দর্শনের সংশ্লিষ্টতা।
এ বইটি প্রকাশ করে আমরা তাই আনন্দিত এই জন্য যে, এর মাধ্যমে উন্নয়নক্ষেত্রের প্রারম্ভিক পর্যায়ে গ্রামের দরিদ্র মানুষের একটি নিজস্ব উদ্যোগের অভিজ্ঞতা বর্তমান প্রজন্মের উন্নয়নকর্মীদের হাতে তুলে দিতে পারছি। এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য দিকটি হলো এটি লিখেছেন সেই উদ্যোগেরই একজন কেন্দ্রীয় মানুষ। লেখার চেয়ে যিনি কর্মেই বেশি বিশ্বাসী। বইটি সমবায় সমিতি কিংবা উন্নয়নকর্ম নিয়ে আগ্রহী যে কারো কাছে সাদরে গৃহীত হবে বলে বিশ্বাস করছি।
বাংলাদেশে চাকুরির প্রস্তুতি ও বিশ্ববিদ্যায় ভর্তি যুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রিয় নাম: এক্সপার্ট মোহাম্মদ আব্দুল আলীম। তিনি ১৯৯১ সালে ১১ এপ্রিল, রাজবাড়ী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। এই জেলাতেই শৈশব, কৈশর ও কলেজ জীবন শেষ করেছেন। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকে BBA and MBA ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বর্তমানে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে IBS (Institute of Bangladesh Studies) G Master of Philosophy, ডিগ্রিতে গবেষণারত আছেন। শিক্ষাজীবন থেকে এখন পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদেরকে ইংরেজি বিষয়ে নতুন নতুন অনেক কিছু শিখিয়ে আসছেন। বিশেষ করে তার লিখা বইগুলো বিশেষ চমকপ্রদ। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে এখনও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত আছেন। বর্তমানে লিখালেখি ও প্রকাশনা জগতে কিংবদন্তি হিসেবে তরুণ সমাজের কাছে সমাদৃত। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি '9 Codes Of Translation' বইটি প্রকাশ করতে পেরে সৃষ্টি কর্তার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। বইটি প্রকাশ করতে গিয়ে বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক বইয়ের সহযোগিতা নিয়ে সর্বোচ্চ সর্তকতা অবলম্বন করেছি। তাই বইটিতে কোন বড় ধরনের ভুল নেই। তবুও পাঠকের চোখে কোন ভুল ভ্রান্তি ধরা পড়লে আপনার সুপরামর্শ আমার কাছে সাদরে গ্রহনযোগ্য।