(১) গাযযালি (র) এর "এহইয়াউ উলুমিদ্দীন" বইটিতে অনেক ক্ষতিকর দিক আছে এবং অনুসৃত পথ আছে যা রাসুল (সঃ) করেননি ।
জীবনের অন্তিম অধ্যায়ে গাযযালি (র) "ইলজামুল আউয়াম" বই লিখেন এবং বইটিতে কালামশাস্ত্র ও এর বিভিন্ন নীতির নিন্দা করেন এবং সালফে সালেহীনের অনুসৃত নীতির পক্ষে শক্ত কলম ধরেন।
(২) ইসলামের পথ দৃঢ়, সহজ এবং সরল। এটি মানবীয় যুক্তি ও দর্শন দিয়ে পালন করতে গেলে ভুল পথে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে।
কুরআন, সহিহ হাদিস এর অনুসৃত পথ হল মূল দলিল, সঠিক পথ । আল্লাহ তায়ালা বলেন,
"তোমরা অনুসরণ করো তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি যা নাযিল হয়েছে (কুরআন ও সুন্নাহ)। আর তাকে বাদ দিয়ে কোন আওলিয়া -বুজুর্গ (অলি / আওলিয়া / ইমাম / মাওলানা) এর কথা মেনে চলো না । " (সুরা ৭ আল আরাফ, আয়াত নং ৩)
(৩) তাওহিদুল মাতলাব বা কোন বিশেষ শাইখের / ইমামের অন্ধ অনুকরণ ইসলামে জায়েজ নয় । বিশিষ্ট সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বলেন,
রাসুল (সঃ) ছাড়া এমন কোন লোক নেই, যার কোন না কোন কথা সমালোচনা ও বর্জন যোগ্য হবে। (তাবারানি, মুজমাউল কাবির, হাদিস নং ১১৭৭৩)
(শাহ ওয়ালিউল্লাহ, আল ইনসাফ, পৃষ্ঠা ৫৩,১০৪)
(৪) দ্বীন এর কোন বেপারে দলীল দেয়ার ক্ষেত্রে শুধু 'আল-হাদিস' বলে দলীল দেয়া জায়েজ নয় । হাদিস গ্রন্থের নাম এবং নাম্বার উল্লেখ করতে হবে ।
যদি দলীল এর ক্ষেত্রে শুধু 'আল-হাদিস' বলা হয়, তাহলে তা জাল হতে পারে । যদি হাদিস টি সহিহ না হয়ে জাল হয় তাহলে তা মুহাম্মাদ (সঃ) এর নামে মিথ্যে বলার শামিল ।
মুহাম্মাদ (সঃ) এর নামে মিথ্যা আরোপ করার / বলার পরিণাম সম্পর্কে তিনি বলেছেনঃ
"যে ব্যক্তি আমার নামে এমন কোন কথা আরোপ করল যা আমি বলিনি, সে জাহান্নামী । " (আল বুখারী , কিতাবুল ইলম, হাদিস নাম্বার : ১০৯)