Get eBook Version
TK. 180এই মুহূর্তে হাসান তার অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ ভুলে অন্য একজন মানুষে পরিণত হয়। বিপুল বিক্রমে নিজের পৌরুষ প্রকাশে উদ্যত হয়। অবাক ব্যাপার, ঘুম ভেঙে যাবার পর তার উন্মত্ততা অনুভব করলেও রুমানা কোনোভাবেই বাধা দেয় না তার অফিসের বস হাসানকে। বরং এক ধরনের প্রশ্রয়ভাব লক্ষ্য করা যায় তার মধ্যে। যেন সে এজন্য অপেক্ষা করছিল অনেক দিন ধরে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সেই প্রত্যাশিত মুহূর্তটি যেন ধরা দিয়েছে তার হাতে। সে কোনোভাবেই সেই মুহূর্তকে হারাতে চায় না। কী গভীর মমতায়, বন্য আকর্ষণের আদিমতায় ভরিয়ে দিতে সচেষ্ট হয় সে নিজেও। একজন প্রিয়তম পুরুষের কাছে একজন নারী যেভাবে নিজেকে সমর্পণ করে ঠিক সেরকমভাবেই সে নিজেও সক্রিয় হয়।
বাইরে উত্তাল ঝড়বৃষ্টি থেমে গেছে আরও আগেই। কিন্তু এই এক রুমের ঘরটিতে এক জোড়া নারী-পুরুষ জৈবিক তাড়নার উদ্দাম ঝড়ে হারিয়ে উত্তাল নদীর স্রোতে ভেসে যেতে চায় সাগরে মোহনার দিকে।
একসময় এই উদ্দামতাও থেমে যায়। ততক্ষণে ভোর হয়ে গেছে। বাইরে দিনের আলো ফুটতে শুরু করেছে। পাখ-পাখালির কিচিরমিচির শব্দ কানে আসছে। তার মানে রাতের অন্ধকার শেষে দিনের উজ্জ্বল আলোর বিকিরণ সব কিছু সবার সামনে সুস্পষ্ট করে তুলছে। কোনো কিছুই আর অন্ধকারে আড়াল থাকবে না কিছুক্ষণ পর। সবকিছুই সুস্পষ্টভাবে ধরা দেবে চোখের সামনে। তখন কী হবে?
Report incorrect information