বইটি বিদেশি সাপ্লাইয়ারের নিকট থেকে সংগ্রহ করতে ৩০-৪০ দিন সময় লাগবে।
সবুজ কেন চোখ বুজে দেখতে পাচ্ছিল ওর নিকট আত্মীয়দের ভয়ংকর মৃত্যু? কেন অলোক মর্গে গিয়েছিল মৃতদেহ থেকে একটা দাঁত বার করে আনতে? ওরা দু-জনই কি কারুর জালে জড়িয়ে পড়ছিল? দাশগুপ্ত কেমিক্যালস এর মালিক দেবপ্রিয় দাশগুপ্ত এইসব দেখে সাহায্য চেয়েছিল ধ্রুব আর মাহেন্দ্রানীর কাছে। কিন্তু দেবপ্রিয় দাশগুপ্তকে সাহায্য করতে গিয়ে মাহেন্দ্রানীও জড়িয়ে যাবে না তো জালে? ধ্রুবর বারণ করা সত্ত্বেও মাহেন্দ্রানী নিজের রক্ষাকবচ খুলে দিয়েছিল নীলাকে। এটা মাহেন্দ্রানীর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে না তো? এইসব প্রশ্নের উত্তর পেতে গেলে পড়তে হবে বইয়ের প্রথম উপন্যাস আহ্বান। অমোঘনগরের জঙ্গলে তান্ত্রিক রুদ্রাংশ অরুন্ধতীর সাথে কী করেছিল? কেন রুদ্রাংশ অরুন্ধতীর ঋতুস্রাব হওয়ার অপেক্ষা করেছিল? তন্ত্র সাধনার মূল দাঁড়িয়ে আছে পঞ্চ-ম এর ওপর। সেই পাঁচটা ম-এর একটা হল মৈথুন। তান্ত্রিক রুদ্রাংশ জানতো এর গুরুত্ব। কিন্তু ধ্রুবর কথা না মেনে কেন মাহেন্দ্রানী রুদ্রাংশের নিয়ম মানতে গেল? সে তো কখনোই রক্ত, মদ, মৎস্য, মাংস ব্যবহার করেনি পুজোয়। তাহলে এবার কেন করলো সে? রক্ত মাখা কলা খেয়েছিল রুদ্রাংশ তন্ত্র সাধনা চলাকালীন। মাহেন্দ্রানীও কি তাই করল? যখন মৃতু সামনে এসে দাঁড়ায় তখন মানুষ যেভাবে একের পর এক ভুল করে মাহেন্দ্রানীও কি ঠিক সেভাবেই ভুল করছিল? তাহলে কি মাহেন্দ্রনী...
এইসব প্রশ্নের উত্তর পেতে পড়ুন মৃতু মুখে মাহেন্দ্রানী।
Report incorrect information