মস্তিষ্কের স্নায়ুর দ্বন্দ্বে যিনি অখণ্ড মণ্ডিত প্রভুর জ্ঞানে বিভাসিত হয়ে প্রতিভার সাক্ষরতায় নিজের মনুষ্যত্বকে গুছিয়ে ছন্দ অংলকার ভাব ভঙিমায় সাজিয়ে তুলেন সৃজনশীল কাব্যিক ভাষাৎ তিনি তো কবি। কবি তো অনেকেই তবে সত্যসন্ধানী সাধু মহৎ ক’জন? কবি কাইউম আজাদ একজন স্রষ্টামুখী সুফি সাধক কবি। একবার আমি এ সুফি সাধক কবির সানিধ্য সামনাসামনী পেয়ে অনুধাবন করতে পেরেছিলাম, তিনি সত্যকে লালন করে ধারণ করেছেন নিজের সাধনা ও কর্মের মাধ্যমে। তিনি আমার দেখা প্রকৃত একজন সাধক কবি। যিনি সত্য ন্যায় পথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা কলম সরব রেখে গুনে ধরা অসুস্থ সমাজকে শুদ্ধ শুভ্রতায় চাদরে আবৃত করেছেন প্রকৃতির মমতায়। তার লেখনীতে ফুটে তুলেছেন সমাজের বাস্তব জীবনের প্রেক্ষাপট। যেমন- তিনি তার কবিতায় অন্যায় অবিচার গুলো তুলে ধরেছেন তেমনি ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন সমাজের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে সততার বিপ্লব এবং প্রতিকার। ‘কুশপুত্তলি’তে তিনি প্রেম ভালোবাসার ভ্রাতৃত্বের বাঁধনে বেঁধে শিশুর কোমলতায় প্রাণ ফিরিয়ে দিতে চেষ্টা করেছেন।
আমি কুশপুত্তলি বইটি মনযোগ সহকারে পড়ে বুঝতে পেরেছি এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস ‘কুশপুত্তলি’ স্নায়ুর সজিবতা ফিরিয়ে দেবে সমাজের। যাহা স্মৃতিচারণ হয়ে প্রত্যোকটি বিবেকবান স্নায়ুকুশ পরমানন্দে লালন করবিবে প্রেম ভালোবাসার স্মারক হিসেবে। করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন মানুষের।
Report incorrect information