১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
মখমলে ঢাকা এত সুন্দর কারুকার্য করা চকচকে ড্রয়িং রুমে এর আগে আদনান কখনও ঢোকেনি। ঢুকেই একটা ছোপায় আরাম করে বসে পড়ে। বসে পায়ের উপর পা তুলে একটা পা নাচাতে থাকে। ছোপায় বসে যার অপেক্ষা করছে তাকে কোনোদিন সে দেখেনি। কিন্তু রুমে ঢুকেই ষাট ঊর্ধ্ব লোকটা যখন একটা সুন্দরী মেয়ের ছবি আদনানের দিকে বাড়িয়ে ধরে কথা বলতে শুরু করে তখন সে বুঝে নেয় তার কাছেই আদনান এসেছে।
আদনান কিছুক্ষণ অপলক তাকিয়ে থাকে ছবিটার দিকে। কেমন যেন দুর্বল হয়ে পড়ে ছবির মেয়েটার প্রতি। তারপর সে নিজেকে সামলে নেয়। কোনো মেয়ের প্রতি দুর্বলতা তার পেশার সাথে মানায় না। সুন্দর মুখের যেকোনো নারীর ছবি দেখলে যেমন পুরুষের হৃদয় একটু ছলকে ওঠে সেরকমই হলো তার। এর বেশি কিছু আদনানের হয়নি। কিন্তু ছবিটাকে ভালো করে দেখতে গিয়ে তার ভ্রূ একটু কুঁচকে ওঠে। এমন সুন্দর মেয়েটাকে পৃথিবী থেকে সরানোর দরকার পড়ছে কেন? ভাবতে গিয়েও থেমে যায়। তার ভাবনার বিষয় এটা না। তার ভাবনার বিষয় হল এই কাজের বিনিময়ে কত টাকা সে পাচ্ছে। কোথায় যেন মেয়েটাকে দেখেছে এরকম মনে হয় তার। একটু অন্যমনস্ক দেখায় তাকে। ছবিটা থেকে চোখ সরিয়ে নেয় আদনান। তারপর নিজেকে এই বলে বোঝায়, সব সুন্দরী মেয়েকেই চেনা চেনা লাগে।
মুহূর্তেই নিজেকে গুছিয়ে নেয় আদনান। ছবি ছেড়ে সে হাসান চৌধুরীর দিকে তাকায়। হাসান চৌধুরী তাকে জিজ্ঞাসা করে, মেয়েটাকে চিনতে পারছো?
না, মাথা নেড়ে উত্তর দেয় আদনান।
কয়েকটা সিনেমা করেছে। মোটামুটি ভালোই নাম করেছে। তোমার চিনতে কষ্ট হওয়ার কথা নয়। খুব পরিচিতের ভঙ্গিতে শান্ত স্বরে কথাটা বলে হাসান চৌধুরী।
টার্গেট ঠিক হয়ে গেলে আমি নিজেই খুঁজে নিতে পারি, পলকহীন চোখে কথা বলে আদনান। আর আমার রেট তো আপনি জানেন। মিনিমাম ফি পঁচিশ লক্ষ টাকা। টার্গেট ঝুঁকিপূর্ণ হলে ঝুঁকি বুঝে ফি নির্ধারণ হয়। আপনি যদি রাজি থাকেন তবে আলোচনা শুরু করা যেতে পারে। অন্যথায় আলোচনা এখানেই সমাপ্ত, কর্তৃত্বের স্বরে কথা বলে আদনান।
তারপর নায়িকা নিপা খুন হয়ে যায়। হাসান চৌধুরী একজন নামকরা ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ। তার টাকায় পার্টি চলে। তার কথায় আইন। তার কি কিছুই হবে না! কথায় বলে, পাপ বাপকেও ছাড়ে না। আদনান আর হাসান চৌধুরীর কি হলো জানতে হলে বইয়ের শেষ পর্যন্ত যেতে হবে।