Category:বয়স যখন ১২-১৭: রহস্য, গোয়েন্দা, থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার
বাড়ির ভেতর ঢুকতেই মেরুদণ্ডে শিরশির করে উঠল আমার। আকাশও ভয় পেয়ে গেল। নিজেকে শান্ত করে এগোতেই আবারও বিপদের আশঙ্কা টের পেলাম। এখানে আর দাঁড়িয়ে থাকার সাহস হলো না আমার। সবাই ভয়ে অস্থির! শক্ত করে টর্চটা চেপে ধরে দৌড়ে বেরিয়ে এলাম বাড়িটার ভেতর থেকে। এলোমেলোভাবে সিঁড়ির দিকে ছুটল সবাই।
সিঁড়িতে পৌঁছে একেকবারে দুটো করে ধাপ ডিঙিয়ে ওপরে উঠতে লাগলাম আমি ও আকাশ। বুকের ভেতরটা কাঁপছে আমাদের।
সিঁড়ির মাথায় প্রায় পৌঁছে গিয়েছিল আকাশ, হঠাৎ ধড়াস করে এত জোরে এক লাফ মারল হৃৎপিণ্ডটা, মনে হলো থেমেই যাবে যেন। আবার শক্ত হয়ে দাঁড়াল আকাশ। নাছোড়বান্দা! শেষ না দেখে পালাবার পাত্র নয় সে।
পা দুটো আঠা দিয়ে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে সিঁড়ির সঙ্গে। রুবির ডান হাতে ধরা টর্চটা কাঁপছে। কিছুতেই স্থির রাখতে পারছে না সে। আকাশের কাধে কে যেন খোঁচা দিল। ভয়ে গায়ের লোমগুলো খাড়া হয়ে গেল ওর।
সিঁড়ির মাথায় দাঁড়িয়ে আছে একটা কালো মূর্তি। পিছনে তার ছায়া পড়েছে, অনেক লম্বা। মূর্তিটার গায়ে কালো আলখেল্লা। ফ্যাকাশে সাদা ভূতুড়ে মুখ। গোল গোল দুটো জ্বলন্ত চোখ, আর টকটকে লাল ঠোঁটে রক্ত লেগে রয়েছে। ওরা সবাই বাগান বাড়ির ছাদ বেয়ে নামতে দেখেছে মূর্তিটাকে। ভয়ঙ্কর এক গর্জন দিয়ে ওদের সামনে এগোতে থাকল মূর্তিটা...।
Report incorrect information