বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের চাকরি তিনি খুব পছন্দ করেছেন। কারণ এইক্ষেত্রে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ ছিল। কারো সমস্যার দ্রুত এবং ন্যায়সংগত সমাধান দিতে পেরে তিনি খুব আনন্দ অনুভব করতেন। ম্যাজিস্টেরিয়াল দায়িত্ব পালন করাকালে অভিযোগ শুনানির তারিখে আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধি ২৪১/এ ধারায় খালাস (ডিসচার্জ) করে দিতে পারলে তিনি খুব মজা পেতেন। মামলার রায় লেখাতে তিনি ছিলেন অত্যন্ত পারদর্শী। তার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা বেশ কঠিন ছিল এবং আপিল করে কোনো সুবিধা কেউ নিতে পারেননি। কর্মক্ষেত্রে মানুষের কল্যাণে এলাকার উন্নয়নে তার কী করণীয় রয়েছে, তা তিনি নিজ থেকে খুঁজে বের করে সম্পাদন করে দেওয়ার অবিরত প্রচেষ্টা চালাতেন। মাঠ পর্যায়ে কর্মরত থাকাকালে তিনি প্রতিনিয়ত ফিল্ড ভিজিট করে উন্নয়ন কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতেন এবং কোথায় কী কাজ করা যায় তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করতেন। তিনি যেখানেই কাজ করেছেন, সেখানে কাজের ধারায় একটা ব্যাপক পরিবর্তন আনতে পেরেছেন। তিনি জনস্বার্থে যা করা উচিৎ মনে করতেন, সমগ্র চাকরি জীবনে সকল কর্মক্ষেত্রে সকল অপশক্তিকে সফলভাবে পরাভূত করে তা—ই তিনি করতে পেরেছেন। কোনো কোনো কর্মক্ষেত্রে তিনি অবিসংবাদিত জননেতার ভূমিকায়ও অবতীর্ণ হয়েছিলেন। রাজনীতি করার সাধও তিনি চাকরি করার মাধ্যমে অনেকটাই মিটিয়ে নিয়েছেন। তার সমগ্র চাকরি জীবনটাই ছিল চ্যালেঞ্জিং। কিছু কর্মক্ষেত্রে জীবনের ঝঁুকিও কম ছিল না—যা তিনি কখনো আমলে নেননি।
পার্বত্য এলাকায়ও তিনি চাকরি করেছেন। সেখানেও তিনি বহু কাজ করেছেন। বলারও আছে। সুযোগ পেলে ৩য় সংখ্যায় তা প্রকাশ করার চেষ্টা করবেন।
Title
এক ব্যুরোক্রেটের চ্যালেঞ্জিং কর্মজীবন ও বহুমাত্রিক ভাবনা